প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লিওনেল মেসি শুধু বিশ্বফুটবলের অন্যতম সেরা অলংকার নন, আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসেও তিনি এক রূপকথার নাম। নীল-সাদা জার্সিতে অভিষেকের পর আন্তর্জাতিক শিরোপার জন্য দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় যে আক্ষেপ লালন করেছিলেন, ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে এসে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে পরম পূর্ণতায়। আর্জেন্টিনার বয়সভিত্তিক দল থেকে শুরু করে মূল জাতীয় দলের হয়ে একে একে ছয়টি বড় আন্তর্জাতিক ট্রফি নিজের ঝুলিতে পুরেছেন তিনি।
জাতীয় দলের হয়ে মেসির শিরোপা যাত্রার সূচনা ২০০৫ সালে। ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে দলকে চ্যাম্পিয়ন করার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা ও সেরা খেলোয়াড় হন তিনি। এরপর ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে জেতেন সোনার পদক, যা তার প্রাথমিক ক্যারিয়ারকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বড় আলো এনে দেয়।
তবে মূল জাতীয় দলের ট্রফি ক্যাবিনেট ভরতে মেসিকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল ২০২১ সাল পর্যন্ত। মারাকানা স্টেডিয়ামে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকার শিরোপা জেতার মাধ্যমে কাটে আর্জেন্টিনার ২৮ বছরের শিরোপাখরা। সেই জয়ের ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা জেতে ‘ফিনালিসিমা’।
মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ চূড়াটি আসে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে। লুসাইল স্টেডিয়ামে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ফ্রান্সকে হারিয়ে ৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনাকে বিশ্বসেরার মুকুট এনে দেন তিনি। এই ঐতিহাসিক জয়ে পূর্ণতা পায় মেসির অমর ফুটবল ক্যারিয়ার। এরপর ২০২৪ সালে কোপা আমেরিকার টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতে জাতীয় দলের হয়ে নিজের শেষ আন্তর্জাতিক অধ্যায়কে অবিস্মরণীয় করে রাখেন এই কিংবদন্তি।
আর্জেন্টিনার হয়ে মোট ২০৭টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন লিওনেল মেসি। আর গোল করেছেন ১২৫টি। তিনি আর্জেন্টিনার সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন