প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও চলমান রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
সূত্রে জানা গেছে, আসিফ মাহমুদসহ মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলি বাণিজ্যের মাধ্যমে দুই কোটি ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুদক।
এরপর গত ১৩ সেপ্টেম্বর আসিফের বিরুদ্ধে আরো ১৩ হাজার ২০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধানের তথ্য প্রকাশ করা হয়। উভয় অভিযোগের অনুসন্ধান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
দুদক মহাপরিচালক উল্লেখ করেন, দুদকের বড় বড় মামলাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যৌথ অনুসন্ধান দল (জিট) কাজ করছে। তাদের কার্যক্রমের উপর সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়ায় স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও যুক্ত রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা বা অভিযোগ সংক্রান্ত কোনো ফাইল আটকানো হয়নি এবং কাজের গতি মন্থর হয়নি।
বর্তমান কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাদের কার্যক্রমের বিষয়ে জানানো হয়েছে যে, ২০ আগস্ট থেকে ২৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ১২১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, ৬১টি চার্জশিট প্রদান করা হয়েছে, ৬১টি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ১টি ফাঁদ মামলা করা হয়েছে। আদালত দুদকের ৬৮টি আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ক্রোক ফ্রিজ করার নির্দেশ দিয়েছে। একই সময়ে ২২ জন অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিদেশ ভ্রমণ নিষিদ্ধ করার আদেশও দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন