প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
লেস্টার সিটির একাডেমি ব্যবস্থায় বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ ফুটবলার জাকারিয়া চৌধুরী অ্যাস্টন ভিলার একাডেমিতে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব পেয়েছেন বলে বিভিন্ন ফুটবলভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে দাবি করা হয়েছে। তবে, ক্লাবের পক্ষ থেকে এখনো চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা সে বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি।
ইংল্যান্ডের ফুটবলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ ফুটবলার জাকারিয়া চৌধুরীকে ঘিরে নতুন আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ফুটবলভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট ও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলার একাডেমি থেকে এই তরুণ উইঙ্গারকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তার পূর্ববর্তী পথচলা ছিল লেস্টার সিটির একাডেমি ব্যবস্থা ও ইংল্যান্ডের গ্রাসরুট ফুটবল।
জাকারিয়া চৌধুরী মূলত রাইট উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। স্থানীয় ইংলিশ ফুটবলের গ্রাসরুট পর্যায় থেকে উঠে এসে তিনি অ্যাইলস্টোন পার্কের মতো উন্নয়নমূলক সেটআপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এরপর লেস্টার সিটির একাডেমি ব্যবস্থায় তার বিকাশ ঘটে। তরুণ বয়সে বল নিয়ন্ত্রণ, ড্রিবলিং ও গতির কারণে ফুটবল অনুসরণকারী বাংলাদেশি কমিউনিটিতে তাকে ‘লিটল ম্যাজিশিয়ান’ হিসেবেও অভিহিত করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক দাবিগুলো অনুযায়ী, ২০২৬ সালের অক্টোবরে অ্যাস্টন ভিলা তাকে একাডেমিতে নেওয়ার জন্য প্রস্তাব দিয়েছে এবং চুক্তি-সংক্রান্ত কাগজপত্র চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে, অ্যাস্টন ভিলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা নির্ভরযোগ্য মূলধারার সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রতিবেদন এখনো পাওয়া যায়নি। তাই এটিকে আপাতত বিভিন্ন ফুটবলভিত্তিক সূত্রের দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে, চূড়ান্ত চুক্তি হিসেবে নয়।
অ্যাস্টন ভিলায় যোগ দিতে পারলে জাকারিয়ার জন্য এটি হবে ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ পরবর্তী ধাপ। ইংল্যান্ডের একটি প্রিমিয়ার লিগ ক্লাবের একাডেমিতে তার উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হবে এবং ধাপে ধাপে পেশাদার ফুটবলে যাওয়ার পথ আরও শক্ত হতে পারে। তবে, তার বয়স এখনো অল্প হওয়ায় ভবিষ্যৎ অগ্রগতি নির্ভর করবে একাডেমি পর্যায়ের পারফরম্যান্স, শারীরিক ও টেকনিক্যাল উন্নয়ন এবং নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সুযোগ পাওয়ার ওপর।
বাংলাদেশের দৃষ্টিকোণ থেকেও জাকারিয়াকে ঘিরে আগ্রহের বড় কারণ তার বংশপরিচয়। ইংল্যান্ডে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই ফুটবলার ভবিষ্যতে কোন দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলবেন, সেটিও সময়ের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশি ফুটবলসংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে তার পরিবারের যোগাযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সম্ভাবনার বিষয়েও আগ্রহ রয়েছে।
তবে আপাতত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অপেক্ষা অ্যাস্টন ভিলার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং চুক্তির প্রকৃতি নিয়ে। এটি পূর্ণাঙ্গ একাডেমি চুক্তি, ট্রায়াল, নাকি শুধু যোগদানের প্রস্তাব—তা নিশ্চিত হলে জাকারিয়ার নতুন অধ্যায়ের চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন