প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাগেরহাট জেলার শরণখোলা উপজেলায় এক স্কুলের নারী অফিস সহকারীকে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে একই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সহ আরেক শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রথীয়া রাজাপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত ইয়সিন আলী হাওলাদার এর পূত্র নান্না মিয়া হাওলাদার (৫০) ও রাজাপুর এলাকার ভোপাল চন্দ্র শিকদার এর পূত্র সহকারী শিক্ষক গৌতম শিকদার (৪৫)।
ভূক্তভোগী ওই অফিস সহকারী মাকসুদা খানম লিজা ও অভিযুক্তরা সবাই রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত।
হয়রানির স্বীকার লিজার স্বামী ওই একই এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল হান্নান এর পূত্র জারজিস (৪০) এ অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক নান্না ও সহকারী শিক্ষক গৌতম, তার স্ত্রী লিজাকে দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের অপ্রয়োজনীয় ও যা তার দায়িত্বে পড়েনা এমন কাজ করাত। পাসাপাসি তাদের ব্যাক্তিগত কাজও করাত। জারজিস আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার স্ত্রী ওই স্কুলে চাকরি করার সুবাদে স্কুলের প্রধান শিক্ষক নান্না মিয়া ও গৌতম আমার স্ত্রীকে বার বার হেনস্তা, গালি-গালাজ, মানসিক নির্যাতন করেছেন। এতদিন লোক লজ্জায় আমি বিষয়টি কাউকে বলিনি। খুব শিগ্রই আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিব।
এ নিয়ে জারজিস ও শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক বাক-বিতন্ডা ও হুমকি ধামকির ঘটনাও ঘটেছে।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ঘটিত এসব ঘটনা নিয়ে স্কুল কতর্িৃপক্ষ কয়েক দফা বৈঠক করেছেন।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষক গৌমত বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্য ও বানোয়াট।
অন্যদিকে হয়রানির স্বীকার ওই ভূক্তভোগী স্কুলের অফিস সহকারী মাকসুদা খানম লিজার বক্তব্যের জন্য বার বার চেষ্টা করা হলেও তিনি আতঙ্কে কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক নান্না মিয়া হাওলাদার বলেন, আমার স্কুলের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মাকসুদা খানম লিজা ঠিকমত স্কুলে আসেন না। যে কারনে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি তার বিরুদ্ধে বহুবার আইনি পদক্ষেপ নিয়েছে। তাই জারজিস ক্ষোভে আমাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন