প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার ১০ হাজার টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের মধ্যে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী, জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে স্থানীয়ভাবে এ মসুর ডাল কেনা হবে। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে টিসিবি কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করা হলে তিনটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দেয়। যাচাই-বাছাইয়ের পর তিনটি প্রস্তাবই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
আরো পড়ুন
জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সভা আজ, আসছে বড় পরিবর্তন
দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড, খুলনা থেকে সর্বনিম্ন গ্রহণযোগ্য দরদাতা হিসেবে মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে টিসিবির গুদাম পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি ৭৬ টাকা ৭৯ পয়সা দরে এসব ডাল কেনা হবে। এর ফলে প্রতি টনের দাম হবে ৭৬ হাজার ৭৯০ টাকা। ১০ হাজার টনের মোট মূল্য ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার গ্যারান্টি এই অর্থের জন্য থাকবে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে টিসিবির মসুর ডাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ২০ হাজার টন। এর মধ্যে ইতোমধ্যে ১৭ হাজার ৫২৮ টন মসুর ডাল কেনা হয়েছে। নতুন করে ১০ হাজার টন কেনার ফলে চলতি অর্থবছরে টিসিবির কেনা মসুর ডালের পরিমাণ ২৭ হাজার ৫২৮ টনে দাঁড়াবে।
টিসিবি কার্ডধারী নিম্ন আয়ের পরিবারের কাছে বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন