প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে বছরে এক লাখ কর্মী নেওয়ার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত তথ্য অনুযায়ী, জাপান এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিতে সম্মত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল, যা দেশটির সরকার মিথ্যা আখ্যা দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এক্স হ্যান্ডলে প্রকাশিত একটি পোস্টে এই তথ্য জানান দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রেস সেক্রেটারি এবং প্রেস অ্যান্ড পাবলিক ডিপ্লোম্যাসির মহাপরিচালক কিতামুরা তোশিহিরো।
ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জাপান সরকার বাংলাদেশ থেকে এক লাখ কর্মী নিতে সম্মত হয়েছে বলে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, গত ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাপান-বাংলাদেশ শীর্ষ বৈঠকের আলোচনায়ও এ বিষয়ে কোনো সম্মতি দেওয়া হয়নি।
বৈঠক সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট দেখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে পোস্টে।
এর আগে, জাপানে দক্ষ জনশক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে বছরে এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। এই প্রক্রিয়ায় কারিগরি প্রশিক্ষণার্থী, নির্দিষ্ট দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী ও পেশাজীবীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
গত বছরের মে মাসে, জাপানের টোকিওতে ‘বাংলাদেশ সেমিনার অন হিউম্যান রিসোর্সেস’ শীর্ষক এক সেমিনারে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস অংশগ্রহণ করেন। সেই সময় জানানো হয়েছিল, ক্রমবর্ধমান শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ থেকে অন্তত এক লাখ শ্রমিক নেবে জাপান।
তবে, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, বছরে এক লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার বিষয়ে দেশটির সরকারের সম্মতির তথ্য সঠিক নয়।
উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে বাংলাদেশে যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরের সময় দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থান সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন