প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তার বাণীতে উল্লেখ করেন, “বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ দিন শুভ জন্মাষ্টমী। এই শুভ দিনে আমি বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”
আগামীকাল শুক্রবার ‘শুভ জন্মাষ্টমী’ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার প্রদত্ত এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই শুভেচ্ছা জানান।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে তারেক রহমান বলেন, “শ্রীকৃষ্ণের বার্তা ও শিক্ষা সমাজে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে। আসুন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধে উদ্বুদ্ধ একটি জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলি।”
প্রধানমন্ত্রী সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, কেউ যেন সম্প্রীতির পরিবেশ বিনষ্ট করতে না পারে। “সমাজে শৃঙ্খলা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে আমাদের প্রত্যেককে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
শ্রীকৃষ্ণের মহতী দর্শনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শ্রীকৃষ্ণ তাঁর জীবন ও কাজের মাধ্যমে সমাজে ন্যায়, সাম্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় মানবপ্রেমের অনন্য আদর্শ তুলে ধরেছেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি ভক্তি, মানবকল্যাণ ও শান্তির যে দর্শন তিনি প্রচার করেছেন, তা সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব মানুষের জন্যই গভীর প্রেরণাদায়ক।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “একটি সুশীল রাষ্ট্র ও সমাজে ভিন্ন ভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের মেলবন্ধন থাকে। বাংলাদেশেও যুগ যুগ ধরে সর্বস্তরের মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্য বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম পালন করে আসছেন। এই আবহমান সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখা নাগরিক হিসেবে আমাদের সকলের পবিত্র দায়িত্ব।”
উল্লেখ্য, সনাতন ধর্মীয় শাস্ত্রানুসারে ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে ধরাধামে আগমন ঘটে অবতার শ্রীকৃষ্ণের। হিন্দু পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, মথুরার অত্যাচারী রাজা কংসের পাপাচার যখন চরমে পৌঁছায়, ঠিক সেই সময় তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে অত্যাচারী কংসকে নিধন করে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেন। ‘দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন’ই ছিল শ্রীকৃষ্ণের মূল ব্রত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন