প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
একটি রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষাব্যবস্থার পরিচালনার পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষাব্যবস্থার একটি মূল দিক হলো—শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন এবং যোগ্যতা যাচাইয়ের পদ্ধতি, পাশাপাশি শিক্ষার সুযোগ প্রদান করার পরিবেশ।
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে মেধা, যোগ্যতা ও সমতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কোটা সংস্কার ও মেধার দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। সেই পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে, যদি শিক্ষাক্ষেত্রে মেধা ও যোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে একটি মৌলিক প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়—দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য মেধা যাচাইয়ের সুযোগ থাকবে, নাকি তাদের বিদ্যালয়ে ভর্তির ভাগ্য নির্ধারণ করবে লটারি?
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা প্রয়োজন। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে লটারি পদ্ধতি চালুর বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত সরকারি সিদ্ধান্ত নয়। গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব বা পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে। মাউশির খসড়া নীতিমালায় দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণিতে লটারির এবং ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণিতে লিখিত পরীক্ষার প্রস্তাবের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
এই অবস্থায় সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা নয়, বরং সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার আগে এর শিক্ষাগত ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন।
লটারি কি মেধা যাচাইয়ের বিকল্প হতে পারে?
লটারি মূলত একটি দৈবনির্ভর পদ্ধতি। যদি একই যোগ্যতার একাধিক প্রার্থী থাকে, তাহলে তাদের মধ্য থেকে কাউকে নির্বাচনের ক্ষেত্রে লটারি ব্যবহার করা যুক্তিসঙ্গত হতে পারে। তবে যেখানে প্রার্থীদের যোগ্যতার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে এবং সেই যোগ্যতা যাচাই করার সুযোগ আছে, সেখানে লটারিকে মেধা যাচাইয়ের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।
উদাহরণ হিসেবে এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলকে ধরা যেতে পারে। যদি দুই বা ততোধিক শিক্ষার্থীর জিপিএ একই হয়, তবে সীমিত আসনের জন্য লটারি মাধ্যমে নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ পদ্ধতি হতে পারে। কারণ সেখানে প্রথমে একটি স্বীকৃত পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ফলাফল ও যোগ্যতার একটি তুলনামূলক প্রমাণ তৈরি হয়েছে।
কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী যদি একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায় এবং অন্য একজনও একই বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চায়—তাহলে তাদের বর্তমান শিক্ষাগত প্রস্তুতি, পাঠ্যবোধ, ভাষাজ্ঞান, গণিতের ভিত্তি কিংবা শ্রেণি-উপযোগী দক্ষতা সম্পর্কে কোনো মূল্যায়ন ছাড়া যদি একজন ভর্তি হয় এবং অন্যজন বাদ পড়ে, তাহলে সেটিকে কি মেধাভিত্তিক নির্বাচন বলা যাবে?
এখানেই প্রশ্নটি ওঠে—আমরা কি শিশুকে কর্মের বদলে ভাগ্য শেখাচ্ছি? "পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি"—এটি কি শিক্ষার্থীরা আর বিশ্বাস করতে শিখবে না?
শিক্ষার একটি প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিশুকে শেখানো—যদি পরিশ্রম করা হয়, তাহলে ফল পাওয়া যায়, প্রস্তুতি নিলে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং নিজের যোগ্যতা দিয়ে নিজের জায়গা তৈরি করতে হয়।
কিন্তু একটি শিশু যখন শুনবে, “তুমি ভালো প্রস্তুতি নিলেও তোমার ভর্তি হবে কি না, তা লটারির ওপর নির্ভর করবে”—তখন তার কাছে একটি ভিন্ন বার্তাও পৌঁছাতে পারে।
সেটি হলো—যোগ্যতার পাশাপাশি ভাগ্যও তোমার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
অবশ্যই, লটারি মানেই শিশুদের ভাগ্যবাদী করে তোলা—এমন সরল সিদ্ধান্তে যাওয়া ঠিক হবে না। লটারির পক্ষে যুক্তিও রয়েছে। বিশেষ করে অল্প বয়সী শিশুদের ভর্তি পরীক্ষা, কোচিংনির্ভরতা, অভিভাবকদের অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা এবং পরীক্ষার চাপ নিয়ে শিক্ষাবিদদের উদ্বেগ রয়েছে। এসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা প্রয়োজন। প্রথম শ্রেণির ক্ষেত্রে লটারি বহাল রাখার সিদ্ধান্তও সরকার জানিয়েছে।
কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। একজন শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের কমপক্ষে একটি শ্রেণি সম্পন্ন করেছে। তার শেখার কিছু ফলাফলও তৈরি হয়েছে। সেই অবস্থায় তার পরবর্তী বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের মানদণ্ড নির্ধারণ করা যাবে কি না—এই প্রশ্নটি অবশ্যই আলোচনায় থাকা উচিত।
একজন শিক্ষক হিসেবে শ্রেণিকক্ষে বাস্তব অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার। দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করার অভিজ্ঞতা থেকে আমি একটি বিষয় উপলব্ধি করেছি—একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত প্রস্তুতির মধ্যে ব্যবধান যত বেশি হয়, শিক্ষকতার কাজ তত কঠিন হয়।
একজন শিক্ষক যখন একই শ্রেণিতে পাঠদান করেন, তখন তার সামনে সাধারণত একটি নির্দিষ্ট শিক্ষাগত লক্ষ্য থাকে। কিন্তু একই শ্রেণিতে যদি একজন শিক্ষার্থী আগের শ্রেণির মৌলিক জ্ঞান ভালোভাবে আয়ত্ত করে থাকে এবং অন্যজন সেই ভিত্তিগত জ্ঞানেও পিছিয়ে থাকে, তাহলে শিক্ষক কাকে অনুসরণ করবেন?
অগ্রসর শিক্ষার্থীকে সামনে রেখে পাঠদান করলে দুর্বল শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ে। আবার দুর্বল শিক্ষার্থীকে ধরে পাঠদান করলে অপেক্ষাকৃত অগ্রসর শিক্ষার্থীর শেখার গতি কমে যায়, ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে শ্রেণিকক্ষে একটি ভারসাম্যহীনতা সৃষ্টি হয়।
এখানেই ভর্তি পরীক্ষার একটি সম্ভাব্য শিক্ষাগত সুবিধা রয়েছে। ভর্তি পরীক্ষা নিখুঁত কোনো ব্যবস্থা নয়, কিন্তু সঠিকভাবে প্রণীত ও স্বচ্ছ একটি পরীক্ষা শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত প্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে।
অর্থাৎ উদ্দেশ্য হওয়া উচিত শিশুকে বাছাই করে অপমান করা নয়; বরং বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষকে শিক্ষাদানের উপযোগী রাখা।
তবে ভর্তি পরীক্ষারও সংস্কার দরকার
এখানে একটি বিষয় স্পষ্ট করা জরুরি—আমি ভর্তি পরীক্ষাকে প্রশ্নহীনভাবে সমর্থন করছি না।
ভর্তি পরীক্ষা যদি এমন হয় যে দ্বিতীয় শ্রেণির শিশুকে তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির প্রশ্ন পড়তে হবে, কোচিং করতে হবে, আলাদা শিক্ষক রাখতে হবে—তাহলে সেটিও শিক্ষার জন্য ক্ষতিকর।
ভর্তি পরীক্ষা হতে হবে সংশ্লিষ্ট শ্রেণির জাতীয় শিক্ষাক্রম ও প্রত্যাশিত শিখনফলের ভিত্তিতে।
প্রশ্ন হবে শিশুর বাস্তব জ্ঞান, ভাষা, গণিত, বোঝার ক্ষমতা ও মৌলিক দক্ষতা যাচাইয়ের জন্য। মুখস্থনির্ভর কঠিন প্রশ্ন দিয়ে শিশুদের মধ্যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা নয়। অবশ্যই মুখস্থের বাইরে প্রশ্ন তৈরি করতে হবে। পাঠ্য বইগুলোও সেভাবেই তৈরি হয়েছে। পাঠ্য বই যে লক্ষ্য নিয়ে রচিত হয়েছে সে মতেই প্রশ্নপত্র তৈরি করা যাতে কোচিং নির্ভরতা কমে। খরচ বাঁচানোর জন্য আদি মুখস্থ নির্ভর প্রশ্ন করা থেকে সরে আসতে হবে।
অর্থাৎ লটারির বিকল্প মানেই কোচিংনির্ভর ভর্তি পরীক্ষা নয়। দুটির মাঝেও একটি দায়িত্বশীল, শিশুবান্ধব ও মেধাভিত্তিক ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব।
সিদ্ধান্ত বারবার পরিবর্তন হলে প্রশ্ন উঠবেই।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো নীতির ধারাবাহিকতা। ২০২৬ সালের মার্চে সরকার ঘোষণা করেছিল, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে লটারির পরিবর্তে ভর্তি পরীক্ষা চালু করা হবে। ১৭ মার্চের সরকারি আদেশেও লটারি পদ্ধতি বাতিলের কথা বলা হয়েছিল।
পরে আগস্টে জানানো হয়, প্রথম শ্রেণিতে লটারি থাকবে এবং দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা হবে।
এখন আবার দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত লটারি করার প্রস্তাবের খবর প্রকাশিত হয়েছে।
এখনো যেহেতু এটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, তাই সরকারকে প্রশ্ন করে বিব্রত করার ইচ্ছা আমার নাই। যদি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন হয়, তবে এত অল্প সময়ে নীতির কাঠামোতে একাধিক পরিবর্তনের আলোচনা অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে। একটি পরীক্ষাপদ্ধতি কয়েক মাস পরপর বদলালে প্রশ্ন উঠবে—দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কোথায়?
শিক্ষা কোনো পরীক্ষামূলক ক্ষেত্র নয়। একটি সিদ্ধান্তের সঙ্গে লাখ লাখ শিশু, অভিভাবক, শিক্ষক ও বিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ জড়িত।
লটারির অর্থনৈতিক দিক নিয়েও স্বচ্ছতা প্রয়োজন। লটারি পদ্ধতি নিয়ে সমাজে আরেক ধরনের অভিযোগও শোনা যায়—ভর্তি আবেদন বা ফরমের মাধ্যমে বড় অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ এবং এর ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন।
তবে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠী আর্থিক সুবিধা নিচ্ছে—এমন অভিযোগ প্রমাণ ছাড়া করা উচিত নয়।
তা আমি করছি না।
একইভাবে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হলেও পরীক্ষার ফি, প্রশ্নপত্র, কেন্দ্র পরিচালনা ও অন্যান্য ব্যয়ের পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
আমার বিবেচনায় প্রথম শ্রেণির মতো একেবারে প্রাথমিক প্রবেশপর্যায়ে লটারি প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা থাকতে পারে। কিন্তু দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে একজন শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে শিক্ষাজীবনের একাধিক ধাপ অতিক্রম করেছে।
তাহলে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির ক্ষেত্রে—
১. সংশ্লিষ্ট শ্রেণির শিক্ষাক্রমভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষা হতে পারে।
২. প্রশ্ন হতে হবে শিশুবান্ধব ও নির্ধারিত শিখনফলভিত্তিক।
৩. ভর্তি পরীক্ষার জন্য কোচিং বা বাণিজ্যিক প্রস্তুতির সুযোগ কমাতে প্রশ্নের ধরন এমন হতে হবে, যাতে স্কুলের নিয়মিত পাঠদানই প্রধান প্রস্তুতি হয়।
৪. একই মানের পরীক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বা অভিন্ন প্রশ্নপদ্ধতি বিবেচনা করা যেতে পারে।
৫. প্রতিবন্ধী ও বিশেষ প্রয়োজনসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে।
৬. ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও অভিযোগ নিষ্পত্তি হতে হবে স্বচ্ছ।
৭. কোনো বিদ্যালয়ে আসনসংখ্যার তুলনায় আবেদনকারী বেশি হলে মেধাক্রম অনুসারে নির্বাচন করা যেতে পারে।
৮. যদি মেধাক্রমে একাধিক শিক্ষার্থীর ফল সমান হয়, তখন লটারি একটি টাই-ব্রেকার হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ ব্যবস্থায় লটারির জায়গাও থাকবে, আবার মেধার মূল্যায়নও থাকবে।
শিক্ষার লক্ষ্য শুধু বিদ্যালয়ে একজন শিশুর প্রবেশ নিশ্চিত করা নয়; বরং তাকে এমন পরিবেশ দেওয়া, যেখানে সে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বিকশিত হতে পারে।
আমরা যদি সমাজের প্রতিটি স্তরে মেধা, পরিশ্রম ও যোগ্যতার মূল্য প্রতিষ্ঠা করতে চাই, তাহলে বিদ্যালয়ে ভর্তির পদ্ধতিও সেই মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া প্রয়োজন।
আবার এটিও ভুলে গেলে চলবে না—একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নির্ধারণের নামে তাকে অমানবিক প্রতিযোগিতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া যাবে না।
তাহলে বিতর্কটি “লটারি না পরীক্ষা”—এই সরল দ্বন্দ্বে আটকে রাখা উচিত নয়। প্রশ্ন হওয়া উচিত—কোন পদ্ধতিতে শিশুর স্বার্থ, মেধা, ন্যায়সংগত সুযোগ, মানসম্মত শ্রেণিকক্ষ এবং শিক্ষার সামগ্রিক উদ্দেশ্য সবচেয়ে ভালোভাবে রক্ষা করা যায়?
কারণ আজ যে শিশুর ভর্তির পদ্ধতি আমরা নির্ধারণ করছি, আগামী দিনের বাংলাদেশ তার হাতেই গড়ে উঠবে।
শিশুকে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া নয়, আবার পরীক্ষার চাপে পিষ্ট করাও নয়—আমাদের প্রয়োজন এমন একটি ভর্তি ব্যবস্থা, যেখানে সুযোগ হবে ন্যায্য, মূল্যায়ন হবে নিরপেক্ষ এবং শিক্ষার ভিত্তি হবে মেধা ও পরিশ্রম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন