প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনা থেকে ঢাকায় সরাসরি চালু হতে যাওয়া আন্তঃনগর ট্রেনটি ঈশ্বরদী জংশন স্টেশনে যাত্রাবিরতি করবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে আগামী নভেম্বরের শেষার্ধে ট্রেনটির চালুর আশা করছে। সরকার পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে একটি নতুন রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনাও গ্রহণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকা পরিদর্শনকালে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেনটি পাবনার মানুষের জন্য আবেগের একটি বিষয়। বর্তমানে ভারত থেকে ১৮টি কোচ বাংলাদেশে এসেছে, যা আমরা রিসিভ করেছি। বর্তমানে সেগুলো সৈয়দপুর ক্যারেজ ওয়ার্কশপে রয়েছে। আমাদের কিছু অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে ভারত থেকে কিছু প্রকৌশলী আসবেন। এসব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর আমরা আশা করছি, আগামী নভেম্বরের শেষার্ধে ট্রেনটি চালু করতে পারব। ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে এটি চালু হবে এবং এতে ১২টি কোচ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-পাবনা ট্রেনটি ঈশ্বরদী স্টেশনে প্রাথমিকভাবে থামানোর পরিকল্পনা রয়েছে। মাঝগ্রাম থেকে ইঞ্জিন ঘুরিয়ে ট্রেনটি ঢাকায় নিয়ে গেলে কিছু পরিচালনাগত ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে। ঈশ্বরদীতে সব ধরনের পরিচালনাগত সুযোগ-সুবিধা থাকায় এখান থেকে ইঞ্জিন পরিবর্তন করে ট্রেন পরিচালনা করা সুবিধাজনক হবে। এতে হয়তো কিছুটা সময় বেশি লাগবে, তবে নিরাপত্তা ও পরিচালনাগত স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য ঈশ্বরদী থেকেই ট্রেনটি পরিচালনা করা উচিত।
পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে নতুন সেতু নির্মাণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১৯১৫ সালে হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতুটির অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল পার হলেও বাংলাদেশ রেলওয়ে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করায় এটি এখনো সচল রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের বর্তমানে রেলওয়ে নিয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, যার মধ্যে পঞ্চগড় থেকে রাজশাহী হয়ে কক্সবাজার যাওয়ার একটি পরিকল্পনা রয়েছে। সব জায়গায় ট্রেন চালুর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে বর্তমান হার্ডিঞ্জ ব্রিজ যথেষ্ট হবে না। এ ক্ষেত্রে আমাদের আরও একটি সেতু নির্মাণ করতে হবে। ইতিমধ্যে সেতুটি নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় স্থান নির্ধারণ ও নকশা চূড়ান্ত করা হয়েছে। অর্থায়ন নিশ্চিত হলে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা আলম, বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া, বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ নাজিব কায়সার এবং বিভাগীয় রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট রেজওয়ান উর রহমানসহ রেলওয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন