প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার বিষয়ে চূড়ান্ত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মার্কিন ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেছেন, যদি তেহরান অবিলম্বে আলোচনার টেবিলে ফিরে না আসে, তবে আগামী সপ্তাহে ইরানের প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোকে লক্ষ্য করে বড় ধরনের হামলা চালানো হবে।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি তাদের (ইরান) জন্য সত্যিই খুব ভয়াবহ হতে যাচ্ছে। কারণ আগামী সপ্তাহে আমাদের লক্ষ্যবস্তু হবে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সেতুগুলো। তারা যদি আলোচনায় না বসে এবং সমঝোতায় না আসে, তবে আমরা তাদের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেব।’
মার্কিন বাহিনীর এই অনড় অবস্থান এমন সময়ে সামনে এলো যখন মার্কিন সেনারা টানা চতুর্থ দিনের মতো ইরানি ভূখণ্ডে বিমান হামলা চালিয়েছে এবং দেশটির বন্দরগুলোতে কঠোর নৌ-অবরোধ পুনর্বহাল করেছে।
এর ফলে গত ১৭ জুন দুই পক্ষের মধ্যে হওয়া অত্যন্ত ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। বর্তমানে এই যুদ্ধের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথ ‘হরমুজ প্রণালি’। ওয়াশিংটন ও তেহরান—উভয় পক্ষই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কবজায় নিতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।
কতদিন চলবে এই হামলা? যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক অভিযান কতদিন স্থায়ী হবে—গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নের জবাবে, নিজের চিরচেনা আগ্রাসী ভঙ্গিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যতক্ষণ না পর্যন্ত বলব যে ‘যথেষ্ট হয়েছে’, ততক্ষণ এই হামলা অব্যাহত থাকবে।’
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই সরাসরি হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এক চরম অনিশ্চয়তার দিকে ধাবিত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে আরও বড় ধরনের বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
সূত্র: আলআরাবিয়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন