প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাগেরহাটের চিতলমারীতে সরকারি ঘর বিক্রির অভিযোগে এক মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এই বিষয়ে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দলুয়াগুনি গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল কৃষ্ণ সরকারকে মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় একটি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। নীতিমালা অনুযায়ী, এই ঘরটি বিক্রয় বা হস্তান্তরযোগ্য নয়। কিন্তু অভিযোগে বলা হয়েছে যে, তিনি ওই ঘরটি এবং বাড়ির জায়গাসহ বিক্রি করে দিয়েছেন। চিতলমারী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা আবাসন নির্মাণ কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু তালেব শেখ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল কৃষ্ণ সরকারের পরিবারের কেউ বাড়িতে নেই। রিপন শেখ নামে একজন ব্যক্তি বর্তমানে ওই বাড়িটি কিনে বসবাস করছেন। মুক্তিযোদ্ধা নিবাস নামের যে নেমপ্লেট ছিল, সেটি তুলে ফেলা হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, বিমল কৃষ্ণ সরকার টুঙ্গিপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন। এ বিষয়ে বাড়ির ক্রেতা রিপন শেখ জানান, তিনি ৮ শতক জায়গাসহ বাড়িটি কিনেছেন এবং তার কাছে বাড়িটির দলিল রয়েছে।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা আবাসন নির্মাণ কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবু তালেব শেখ বলেন, "আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে বিমল কৃষ্ণ সরকারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্পের আওতায় তাকে যে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেটি তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। সরকারি বরাদ্দের ঘর বিক্রির কোন বিধান নেই।"
বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল কৃষ্ণ সরকারকে ফোন করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করে কেটে দেন। পরে তার পক্ষ থেকে একজন ফোন করে জানান, তিনি খুবই অসুস্থ আছেন এবং কথা বলতে পারবেন না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার খাদিজা আক্তার জানান, তিনি এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। ঘটনার তদন্তের জন্য একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন