প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লা থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আত্মীয়ের বিয়েতে যাওয়ার সময় মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের (৫৪) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর ফলে নিহতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে পৌঁছেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদীর শাখা নদী মারিখালীর রতনপুর ব্রিজের নিচ থেকে চার দিন নিখোঁজ থাকার পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বৈদ্যেরবাজার নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক শাহ কামাল বলেন, ‘নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আর কেউ নিখোঁজ নেই। ট্রলারডুবির ঘটনায় দুর্ঘটনাজনিত একটি মামলা হয়েছে।’
এর আগে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ও শনিবার সকালে সোনারগাঁয়ের মেঘনা নদী থেকে একই পরিবারের তিন ভাই-বোনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা হলেন হেলাল উদ্দিনের মেয়ে সামিয়া আক্তার (১৭) এবং দুই ছেলে সজীব হোসেন (২৪) ও সামিন হোসেন (৫)। এছাড়া ঘটনার দিন রাশিদা বেগম (৪০) নামের এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা কুমিল্লার হোমনা উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাসিন্দা।
নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকালে কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের হাড়িয়া বৈদ্যেপাড়া গ্রামের শাহ পরানের মেয়ে সাজিয়া আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ট্রলারে করে আসছিলেন ১৩ আত্মীয়স্বজন। ট্রলারটিতে দুটি গরু ও একটি খাসি ছিল।
সোনাময়ী এলাকায় আমান সিমেন্ট কম্পানির কারখানার কাছে পৌঁছালে নদীতে ঝোড়ো বাতাস শুরু হয়। এতে নদীতে বড় ঢেউ সৃষ্টি হলে ট্রলারে পানি উঠতে শুরু করে। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়।
এ সময় কাছাকাছি থাকা আমান সিমেন্ট কারখানার একটি ট্রলার দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তারা আটজনকে জীবিত উদ্ধার করে। প্রায় আধাঘণ্টা পর নদী থেকে রাশিদা বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তখন চারজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আরো তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলে একজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে আজ সোমবার নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন