প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের ওপর আবারও হামলা চালানোর জন্য দেশটি প্রস্তুত রয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা যখন চাই, তখনই’ ইরানে আরেক দফা হামলা চালাতে সক্ষম।
ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের সামরিক সরঞ্জামের ওপর যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। তার ভাষ্য অনুসারে, হরমুজ প্রণালির নিকটবর্তী অঞ্চলে ইরান নতুনভাবে রাডার, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এবং মাইন পেতে ব্যবহৃত সরঞ্জাম তৈরি করছিল। মার্কিন বাহিনী এসব সরঞ্জাম শনাক্ত করে ধ্বংস করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
ট্রাম্প আরও জানান, হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘খুব শক্ত নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং ওই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল করছে। মাঝে মাঝে ইরান ড্রোন হামলা করলেও সেগুলো প্রতিহত করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা গত রাতে তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত করেছি।’ ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান নতুনভাবে যে সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করেছিল, তার সবই ধ্বংস করা হয়েছে। তার মতে, এসব সরঞ্জামের মধ্যে প্রতিরক্ষামূলক ও আক্রমণাত্মক—দুই ধরনের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
ট্রাম্প ইরানকে আবারও সতর্ক করে বলেন, ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে পারবে না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, চলমান সংঘাত খুব বেশি দিন স্থায়ী নাও হতে পারে।
এছাড়া, হরমুজ প্রণালির নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প জানান, তিনি কথাটি শুধুমাত্র ‘মজা করে’ বা ‘ভাবনা হিসেবে’ বলেছিলেন।
এর আগে, মঙ্গলবার রাতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, তারা ইরানে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। এরপর ইরানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে কেশম দ্বীপ, বন্দরে আব্বাস, সিরিক, চাবাহার ও কোনারাকে বিস্ফোরণের খবর প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে, ইরানের আইআরজিসি দাবি করেছে, তারা কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, বাহরাইন ও ইরাকে অবস্থিত বেশ কয়েকটি মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে।
তথ্যসূত্র: আনাদোলু
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন