প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময় তিন বছর পিছিয়ে গেছে। ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বরের পরিবর্তে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ ২০২৯ সালের নভেম্বর মাসে হবে।
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্ল্যানারি মিটিংয়ে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ১টায় এই অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি খলিলুর রহমান।
বৈঠকটি ইউএন ওয়েব টিভির মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
বৈঠকের শুরুতে, জি-৭৭–এর পক্ষে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণ তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার খসড়া প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কোনো দেশের প্রতিনিধি বিরোধিতা করেননি। ফ্রান্স, কানাডা ও আয়ারল্যান্ডের প্রতিনিধিরা, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষে বক্তব্য রাখছিলেন, বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের সময় পেছানোর বিষয়ে সমর্থন জানান। তবে তারা বাংলাদেশে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) গত ২১ জুলাই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বাংলাদেশের অনুরোধের বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করে।
এর আগে, জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মতামত দেয় যে, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে ইকোসক বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
আজ এলডিসি প্রস্তুতিকাল বৃদ্ধির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আগামী ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের কথা ছিল। এই উত্তরণ হলে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে।
জাতিসংঘ নিজেদের সদস্যদেশগুলোকে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশ—এই দুই ভাগে বিভক্ত করে। এলডিসি তালিকার দেশগুলোও উন্নয়নশীল দেশের অন্তর্ভুক্ত।
উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে যারা কিছুটা পিছিয়ে থাকে এবং অন্য দেশের সহায়তা প্রয়োজন—এমন দেশগুলোকে এলডিসিভুক্ত করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন