প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের ১০০ মিটার দুর্গাপুর সড়ক প্লাবিত হয়েছে। রবিবার সকালে তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে সড়কটি তলিয়ে গেছে। এর ফলে, জেলা শহর থেকে বিশ্বম্ভরপুর এবং তাহিরপুরে যাতায়াতকারী মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলার সীমান্ত নদীর পানি প্রবল বেগে ভাটির দিকে নামছে বলে জানা গেছে খোঁজ নিয়ে। স্থানীয় সূত্র জানায়, রবিবার (২১ জুন) সকাল থেকে যাদুকাটা নদীর প্রবল স্রোতে সড়কটি তলিয়ে যায়। একইসাথে, তাহিরপুর উপজেলার আনোয়ারপুর সড়কও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন।
যদি পানি আরো বাড়ে, তবে যাত্রা করা সম্ভব হবে না বলে জানালেন স্থানীয়রা। সড়কটির নিচু অবস্থানের কারণে এখানে চলাচলকারী মানুষ ও যানবাহন এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে।
এক সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালক, ফারুক মিয়া বলেন, ‘১০০ মিটার সড়কটি দিয়ে কোনো রকমে পানি ঠেলে এসেছি। এখন আবার যেতে পারবো কিনা সন্দেহ আছে। কারণ পানি বাড়ছে।’
সুনামগঞ্জ থেকে আসা রফিক মিয়া জানান, ভারত থেকে যাদুকাটা নদীর মাধ্যমে প্রবল স্রোত সড়ক উপচে পানি ভাটির দিকে নামে। তিনি সকালবেলা কোনো রকম এসেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা নাজিম মিয়া বলেন, সড়কটি প্রতিবছরই পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যায় এবং এতে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। তিনি জানিয়েছেন, সড়কটি উঁচু করা না হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন হবে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কামাল হোসেন জানান, ‘পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে সড়কটি ডুবে গেছে। পানি আরো বাড়লে ১০০ মিটার সড়ক পার হতে নৌকা লাগবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘যে পরিমাণে পানি বাড়ছে এবং বৃষ্টি হচ্ছে, তা থেকে মনে হচ্ছে এলাকার নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতির অবনতি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার বলেন, সুনামগঞ্জের সব পয়েন্ট দিয়েই বিপৎসীমার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন