প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআর কঙ্গো) একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দেশটির সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কোয়াঙ্গো প্রদেশের কেঙ্গেতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিমানটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কিকউইত থেকে রাজধানী কিনশাসার উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করেছিল। যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কেঙ্গেতে জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেন পাইলট। কিন্তু সেখানে কোনো রানওয়ে না থাকায় বিমানটি একটি আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়।
কোয়াঙ্গো প্রদেশের উপগভর্নর রেমি সাকি বোকিন্ডা জানিয়েছেন, জরুরি অবতরণের চেষ্টা করা সত্ত্বেও রানওয়ে অভাবের কারণে বিমানটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে।
কঙ্গোর সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে ১৪ জন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, বিমানে থাকা সকলেই নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১২ জনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পাইলটের মরদেহ বিমানটির বাইরে পাওয়া যায়।
সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকও ছিলেন। এছাড়া, দুই জেনারেলের সঙ্গে থাকা সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য এবং সামরিক বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন।
মেজর জেনারেল একেনগে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণ জানার জন্য তদন্ত শুরু হয়েছে।
মধ্য আফ্রিকার খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ দেশ ডিআর কঙ্গো দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র সংঘাতে জর্জরিত। বিশেষ করে রুয়ান্ডা সীমান্তসংলগ্ন পূর্বাঞ্চলে মূল্যবান খনি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। গত বছর থেকে বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর দখলে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি শহর পুনর্দখলে দেশটির সামরিক বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন