প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেটি অন্যান্য ম্যাচের মতো নয়। এই দুই ফুটবল দলের মুখোমুখি হওয়াকে কেন্দ্র করে ফকল্যান্ডস দ্বীপপুঞ্জের প্রসঙ্গ সামনে আসে। এবারের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এই দুটি দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিকে ঘিরেও এটি উত্থাপিত হয়েছে।
আটালান্টার সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে পরাজিত করে ফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। এই ম্যাচের পরে আর্জেন্টিনার বিভিন্ন খেলোয়াড়রা ‘মালভিনাস আর্জেন্টিনার’ লেখাসংবলিত একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ এবং জিওভানি লো সেলসো হাসিমুখে সেই ব্যানারটি গ্যালারিতে থাকা সমর্থকদের সামনে তুলে ধরে নাড়ান। তবে ব্যানারটি কোথা থেকে এসেছে, সেটি স্পষ্ট নয়।
এটি ফিফার নিয়মের একটি লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে। ফিফার স্টেডিয়াম আচরণবিধি অনুসারে, স্টেডিয়ামের ভেতরে রাজনৈতিক, আপত্তিকর অথবা বৈষম্যমূলক ব্যানার, পতাকা, লিফলেট, পোশাক বা এ ধরনের অন্য কোনও সামগ্রী প্রদর্শন নিষিদ্ধ। রয়টার্স ফিফার মন্তব্য পেতে চাইলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোন প্রতিক্রিয়া পায়নি।
দক্ষিণ আটলান্টিকের দ্বীপপুঞ্জটি ব্রিটিশদের কাছে ফকল্যান্ডস এবং আর্জেন্টিনার কাছে মালভিনাস নামে পরিচিত। এই দ্বীপগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘকালীন বিরোধ বিদ্যমান। ১৯৮২ সালে এই দ্বীপগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ বেধে যায়। সেই যুদ্ধে ৬৪৯ জন আর্জেন্টাইন সেনা এবং ২৫৫ জন ব্রিটিশ সেনাসদস্য নিহত হয়। পরবর্তীতে ব্রিটেন যুদ্ধে জয়ী হয় এবং দ্বীপগুলোর অধিকাংশ বাসিন্দা ব্রিটেনের অংশ হিসেবেই থাকতে চান বলে মত দেন।
তবে আর্জেন্টিনার দাবি, ১৮১৬ সালে স্বাধীনতা লাভের পর তারা স্পেনের কাছ থেকে দ্বীপগুলোর অধিকার উত্তরাধিকারসূত্রে পায় এবং ১৮৩৩ সালে ব্রিটেন অবৈধ ঔপনিবেশিক পদক্ষেপের মাধ্যমে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ দখল করে নেয়।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন