প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইসরাইলের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের উপস্থিতি একটি অভাবনীয় রেকর্ড স্পর্শ করার পথে রয়েছে। দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রাক্তন সহকারী এবং ভোট বিশ্লেষক মিচেল বারাক পশ্চিম জেরুজালেম থেকে আল জাজিরাকে জানিয়েছেন, ভোটারদের উপস্থিতির হার অত্যন্ত বেশি, যা একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তার মতে, এবারের ভোটের হার ১৯৭৩ সালের ঐতিহাসিক রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ওই বছর ইসরাইল একটি বড় ধরনের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য উদ্ধৃত করে স্থানীয় গণমাধ্যম জানাচ্ছে, দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৪.৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডিন লিভনে মন্তব্য করেছেন, ১৯৭৩ সালের পর দেশে আর কখনোই এমন বিপুল ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়নি। তুলনামূলকভাবে, ২০২২ সালের নির্বাচনে এই একই সময়ে ভোটের হার ছিল ৩৮.৯ শতাংশ।
এই উচ্চমাত্রার উপস্থিতি ক্ষমতাসীন দলগুলোর পাশাপাশি ছোট দলগুলোর জন্য একটি বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। কারণ পার্লামেন্টে (নেসেট) প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ৩.২৫ শতাংশ ভোট প্রাপ্তির শর্তটি পূরণ করতে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি একক ভোটের প্রয়োজন হবে।
অন্যান্য সাধারণ ভোটারের পাশাপাশি সামরিক বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, দুপুর ১টা পর্যন্ত সেনাসদস্যদের ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৪৮ শতাংশে, যা ২০২২ সালের একই সময়ের ৪৪.৪ শতাংশের চেয়ে বেশি। সেনা সদস্যদের সুবিধার্থে এক সপ্তাহ আগেই দেশটির ভেতরের ও বাইরের বিভিন্ন ঘাঁটিতে ৮৫০টি ভোটকেন্দ্র স্থাপন করে ভোটগ্রহণ শুরু করা হয়েছিল।
ভোটারদের মানসিকতা নিয়ে বিশ্লেষক বারাক উল্লেখ করেছেন, বর্তমানে বেশিরভাগ ভোটারই দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পরিবর্তন নিয়ে ভাবছেন। বিরোধী দলগুলোর পাশাপাশি সাবেক ডানপন্থী জেনারেল ওফের উইন্টার-এর ‘আমচা ইসরাইল’ এবং ‘হামিলুইমনিকিম’ (রিজার্ভিস্ট পার্টি)-র মতো নতুন রাজনৈতিক দলগুলো এই নির্বাচনে নির্ধারক বা ‘কিংমেকার’ ভূমিকা পালন করতে পারে।
সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন