প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরে আবাসিক হোটেল থেকে একজন নারীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় নিহতের সঙ্গে হোটেলে যে ব্যক্তিটি অবস্থান করছিল, তাকে খুঁজছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে মহানগরীর বাসন থানার চান্দনা-চৌরাস্তা এলাকায় ‘ই ভ্যালি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলের ৩০৭ নম্বর কক্ষ থেকে এই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শান্তা বেগম (৩৩) গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার হরিরামপুর এলাকার শহিদুল ইসলামের মেয়ে এবং তিনি কিছুদিন আগে লিখন মিয়া (৩৫) নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে হোটেলে ওঠেন। তবে ঘটনার সাথে সাথে ওই ব্যক্তি পলাতক হয়ে গেছেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, হোটেলে কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সময় লিখন মিয়া একটি ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছিলেন। এছাড়া, জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যথাযথভাবে যাচাই বা সংরক্ষণ না করেই হোটেল কর্তৃপক্ষ কক্ষ ভাড়া দিয়েছে।
বাসন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুপক জানান যে, ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে। অতিরিক্তভাবে, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য বিভিন্ন আলামত ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে এবং তাদের আসার পরে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মামলা দায়ের করা হবে।
বাসন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন অর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, তদন্তের অগ্রগতির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য এবং পলাতক ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয় দ্রত উদঘাটন করা সম্ভব হবে।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন