প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন যে, রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পূর্বে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য মিত্রদেশের কাছ থেকে কোনো সতর্কবার্তা পাননি তিনি। হামলার বিষয়ে আগাম সতর্কতা না পাওয়ার কারণ জানতে চাইলেও ওয়াশিংটন তা এড়িয়ে গেছে।
জেলেনস্কি সতর্কবার্তা না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, “ওয়াশিংটনে আমাদের কৌশলগত অংশীদারদের কাছ থেকে কেন এমনটা হচ্ছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাইনি। সত্যি বলতে, ব্যক্তিগতভাবে আমিও এর উত্তর জানি না।”
সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এক সপ্তাহের মধ্যে রাশিয়া ইউক্রেনে তৃতীয়বারের মতো ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র আগাম সতর্কবার্তা দেয়নি।
জেলেনস্কির অভিযোগের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করি, অনেক তথ্যই বিনিময় করি।”
তিনি আরও বলেন, “ইউক্রেনের কথা আমাকে বলবেন না। আমরা ইউক্রেনকে অনেক কিছু দিয়েছি। তারা আমাদের কিছুই দেয়নি।”
এদিকে, রাশিয়ার হামলা সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র মাঝে মাঝে সীমিত করছে বলে সন্দেহ করছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য সরবরাহ কমে যাওয়ার কারণে রোববার রুশ হামলার প্রথম ধাপ সম্পর্কে ইউক্রেন আগাম সতর্কতা পায়নি। তবে একই দিন সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফার হামলার আগে সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা আবার চালু করা হয় বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্লুমবার্গকে জানিয়েছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়ের বিষয়ে পেন্টাগনের নীতিতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে গত এক সপ্তাহে মার্কিন গোয়েন্দা সহায়তা অস্বাভাবিকভাবে অনিয়মিত হয়ে পড়েছে বলে দাবি করেছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা।
এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউক্রেনের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় সাময়িকভাবে বন্ধ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প, জেলেনস্কি ও মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের মধ্যে উত্তপ্ত বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরে অবশ্য অল্প সময়ের মধ্যেই তথ্য বিনিময় আবার চালু করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে জেলেনস্কি ও ট্রাম্পের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। জেলেনস্কি ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থানের সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, জেলেনস্কি রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী নন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন