প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, ফলে ঝুলন্ত সেতু ডুবে গেছে।
রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানি বাড়ছে। এর ফলে শহরের পর্যটকদের জন্য একটি প্রধান আকর্ষণ, হ্রদের ঝুলন্ত সেতু, ডুবে গেছে।
এই পরিস্থিতিতে, শনিবার সকাল থেকে কর্তৃপক্ষ সেতু পারাপারে অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চেঙ্গী, মাইনী, কাচালং নদী এবং ভারতের মিজোরাম রাজ্য থেকে আসা কর্ণফুলী নদীর পানি কাপ্তাই হ্রদে এসে মিশছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের ফলে কয়েক দিন ধরে হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিলেলেই হ্রদের পানি পাটাতন স্পর্শ করে।
সূত্র জানায়, উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকার কারণে শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত ঝুলন্ত সেতু চার ইঞ্চি পানিতে ডুবে ছিল। ঝুঁকি এড়াতে, পর্যটন করপোরেশনের পক্ষ থেকে সেতুতে দর্শনার্থীদের ওঠার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা জানিয়েছেন, হ্রদে পানি বাড়ার কারণে আজ (শনিবার) সকালে ঝুলন্ত সেতুতে চার ইঞ্চি পানি উঠেছে। তাই, ঝুঁকি এড়াতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতু দিয়ে পারাপারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
পানি কমলে সেতু পুনরায় দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
কাপ্তাইয়ে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। কাপ্তাই হ্রদে পানির ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। বর্তমানে এই কেন্দ্রের পাঁচ ইউনিট চালু রেখে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এই কেন্দ্রে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন