প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশীয় চলচ্চিত্রে দীর্ঘকাল ধরে অবদান রাখা গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’ উদযাপন করা হলো।
চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির উদ্যোগে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে পরিচালক, প্রযোজক, অভিনয়শিল্পী ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজনে বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ সময়ের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয় ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগরকে। দুই শতাধিক চলচ্চিত্র প্রযোজনার মাধ্যমে দেশের চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করার জন্য তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
এছাড়া চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য সম্মাননা লাভ করেন পরিচালক কাজী হায়াত, সোহেল রানা, মতিন রহমান, দেলোয়ার জাহান ঝন্টু, আবু মুসা দেবু, মহিউদ্দিন শাকের, আবুল খায়ের বুলবুল ও আওকাত হোসেন। কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনকেও সম্মাননা প্রদান করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিরা গুণীজনদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
সম্মাননা গ্রহণের পর ফরিদুর রেজা সাগর বলেন, “চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি ও মন্ত্রী মহোদয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এভাবে আমরা সবাই একত্রিত থাকলে আমাদের চলচ্চিত্র আরো এগিয়ে যাবে।”
গুণীজনদের সম্মাননা প্রদানের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করে চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন বলেন, “অনেক পরিচালকের সঙ্গে এই প্রজন্মের অনেকের যোগাযোগ নেই। যারা গুণী নির্মাতা, তাদের চলচ্চিত্র আমাদের চলচ্চিত্রকে এগিয়ে যেতে অনেক সাহায্য করেছে। এ কারণে পরিচালক সমিতি গুণীজনদের সম্মাননা দিয়েছে।”
সমিতির মহাসচিব শাহীন কবির টুটুল বলেন, “যাদের মাধ্যমে আমাদের চলচ্চিত্র সমৃদ্ধ হয়েছে, তাদের অনেকেই হয়তো জাতীয়ভাবে স্বীকৃতি পাননি। আবার অনেকে পেয়েছেন। পরিচালক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা গুণীদের সম্মাননা জানিয়েছি। আমাদের চেষ্টা থাকবে প্রতি বছর ৩ আগস্ট এই দিনটি পালন করার। কারণ এই দিনে ‘মুখ ও মুখোশ’ মুক্তি পেয়েছিল।”
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, “আগের সিনেমাগুলো আমরা শুধু দেখতামই না, সেগুলো আমাদের হৃদয়ে থেকে যেত। কোনো না কোনো ইতিবাচক বার্তা আমাদের হৃদয়ে গেঁথে থাকত। আমরা সম্মিলিতভাবে চেষ্টা করব, আগামীতে এমন সিনেমা নির্মিত হবে, যেগুলো সবই আমাদের কথা বলবে। আমরা চাই এমন সিনেমা নির্মিত হোক, যেগুলো সমাজকে পরিবর্তন করবে।”
এছাড়া এদিন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরীসহ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা।
আয়োজনের সাংস্কৃতিক পর্বে নৃত্য পরিবেশন করেন চিত্রনায়িকা দিঘী। গান পরিবেশন করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী কোনাল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন