প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার নাদিয়া আক্তার (১৮) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। নিহতের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, পারিবারিক কলহের কারণে নাদিয়াকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তবে পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে।
এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে গফরগাঁও ইউনিয়নের হাতিখলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নাদিয়া আক্তার ওই গ্রামের কাউসারের (২৬) স্ত্রী। তার মৃত্যুর ঘটনায় স্বামী কাউসারের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ তুলেছেন স্বজনরা।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকেই নাদিয়ার স্বামী ও শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। সংসারের নানা বিষয় নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিত। বুধবার রাতেও পারিবারিক কলহের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে নাদিয়াকে তার স্বামী শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। তরুণী গৃহবধূর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, নাদিয়ার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। তারা সন্দেহ প্রকাশ করেছেন যে, তাকে পরিকল্পিতভাবে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ প্রাথমিকভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখছে। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
গফরগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা ও এলাকাবাসীর হত্যার অভিযোগের মধ্যে ভিন্নতা থাকায় নাদিয়ার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের দিকেই নজর রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন