প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানসহ কয়েকটি যানবাহনের চালক, হেলপার ও যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত দুটি ল্যাপটপ, ছয়টি মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ অক্টোবর রাত আনুমানিক ২টা ১৫ মিনিট থেকে ২টা ৪০ মিনিটের মধ্যে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জামালপুর মৌজায় নবাবগঞ্জ-ভাদুরিয়া সড়কে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় ১২ থেকে ১৩ জনের একটি ডাকাত দল সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের একটি কাভার্ড ভ্যানসহ তিন থেকে চারটি যানবাহনের চালক, হেলপার ও যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে এবং মারধর করে। পরে তারা আনুমানিক ১২ লাখ টাকা মূল্যের বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক মো. আরাফাত প্রামাণিক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ১২ থেকে ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
ঘটনার পর দিনাজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন, বিপিএম-সেবা-এর সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর, পিপিএমের নেতৃত্বে ডিবির একটি চৌকস দল ছায়াতদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্যকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার মো. শাকিল সরকার (২৬) ও মো. রুহুল আমিন (৩৫); রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মো. রাশেদ মিয়া (৩০), মো. রবিউল প্রধান ওরফে রুবেল (৩৫), মো. সাজু মিয়া (৫৩), মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে চেয়ারম্যান (৪২) ও মো. মিরাজ মিয়া (২৬); এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মো. শাহিন মিয়া (৩০)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে সাজু মিয়া, আরিফুল ইসলাম ওরফে চেয়ারম্যান এবং মিরাজ মিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতি ও দস্যুতার মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ১৯ অক্টোবর সন্ধ্যার পর বিভিন্ন সময়ে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মালামালের মধ্যে রয়েছে—এইচপি ব্র্যান্ডের দুটি ল্যাপটপ, ইনফিনিক্স, অপো, ভিভো, অনার ও স্যামসাং ব্র্যান্ডের পাঁচটি স্মার্টফোন, একটি ম্যাক্সটেল বাটন ফোন, গাছ কাটার একটি করাত এবং একটি কাস্তে।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন