প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যশোর, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন যে, দেশের সব ডিপ ও শ্যালো সেচ পাম্প পর্যায়ক্রমে সোলারে রূপান্তরিত করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে চালানো হবে।
আজ যশোর সদর উপজেলা প্রশাসন এবং জেলা তথ্য অফিসের যৌথ আয়োজনে যশোর সদরের নদীয়ার মোড়, বর্মনপাড়া, চাঁচড়া এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি নিয়ে অনুষ্ঠিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
এ সময় প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য দেশে গ্যাস ও কয়লা আমদানি করতে হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। পূর্বে প্রতি ইউনিট গ্যাস ৮ থেকে ৯ ডলারে কেনা হলেও বর্তমানে তা ২৮ ডলারে পৌঁছে গেছে। এই কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তিনি বলেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে জোর দিচ্ছে। রোদ, বাতাস এবং পানি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সেচ মৌসুমে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুতের ঘাটতির কারণে কৃষকের সেচব্যবস্থা ব্যাহত হয় এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। তাই বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সব সেচ পাম্পকে পর্যায়ক্রমে সোলার পাম্পে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও ডিজেলের চড়া দামের মধ্যেও কৃষক সাশ্রয়ী খরচে সেচ দিতে সক্ষম হন।
তিনি জানান, যশোর সদরের লেবুতলা ইউনিয়নে ইতোমধ্যে এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। সেখানে সৌরশক্তিচালিত একটি পাম্পের মাধ্যমে ৫০ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে বরেন্দ্র প্রকল্পসহ সারা দেশে প্রায় ৩৬ হাজার সেচ পাম্প চিহ্নিত করে সোলারে রূপান্তরের কাজ শুরু হবে। এ জন্য সরকার নিজস্ব বাজেট অথবা বৈদেশিক সহায়তা থেকে অর্থের সংস্থান করবে।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খান খোকন।
বৈঠকে সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত অগ্রাধিকার কর্মসূচি ও স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং এলাকার সাধারণ মানুষ এতে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকরা জানান, এ ধরনের বৈঠকের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সরাসরি জানানো এবং তাদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন