প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের পটিয়ায় এক শিশুকে রিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগে স্থানীয়রা এক নারী ও এক পুরুষকে আটক করেছেন। তাদের পরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনা বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটিয়া পৌরসভার কাগজীপাড়া এলাকায় ঘটে।
আটককৃতদের মধ্যে একজন হলেন পটিয়ার কচুয়াই ইউনিয়নের আবুল ফয়েজের ছেলে মো. ফারুক (৪২) এবং অপরজন কুতুপালং এলাকার জামাল হোসেনের মেয়ে শাহাজাহান বেগম (৪০)। জানা গেছে, শাহাজাহান বেগম উপজেলার বাদামতল এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, কাগজীপাড়া এলাকার আশরাফ আলী একাডেমির তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী উম্মে সালমা ইকরা (৯) বিদ্যালয় ছুটি শেষে বাড়ি ফিরছিল। এ সময় এক রিকশাচালক ও এক নারী তাকে বাড়ির সামনে নামিয়ে দেওয়ার কথা বলে রিকশায় তুলে নেন। কিন্তু রিকশাটি বাড়ির সামনে না থামিয়ে অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার সময় শিশুটি চিৎকার শুরু করে।
শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে রিকশাটি থামানোর চেষ্টা করেন। পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা ধাওয়া দিয়ে রিকশাসহ ওই দুজনকে আটক করেন। পরে তাদের পটিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনার ফলে এলাকায় শিশুধরা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
শিশুটির বাবা প্রবাসী শাহনেওয়াজ মামুন বলেন, ‘আমার মেয়েকে বাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন বের হয়ে আসেন। পরে সবার সহযোগিতায় তাদের আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। পরে ওই দুজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউল হক এ বিষয়ে বলেন, ‘শিশুধরা অভিযোগে দুজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন