প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক হামলার পেছনে ফ্রান্সের মূল ইন্ধনদাতা হিসেবে উল্লেখ করে গুরুতর অভিযোগ তুলেছে নাইজারের সামরিক সরকার। শুক্রবার দেশটির জাতীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক সরকারি বিবৃতিতে এই চাঞ্চল্যকর দাবি করা হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৯ আগস্ট রাজধানী নিয়ামেতে বিমানবন্দর এবং প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেস লক্ষ্য করে বিদ্রোহী সেনাসদস্যরা হামলা চালায়। ২০২৩ সালে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা আব্দুর রহমান তিয়ানির সরকারের জন্য এটি ছিল নতুন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। হামলার সময় সামরিক ঘাঁটিতে বিকট বিস্ফোরণ ও দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে, তবে পরের দিন রুশ প্যারামিলিটারি বাহিনীর সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে নাইজারের সেনাবাহিনী।
শুক্রবার দেশটির মন্ত্রিসভা এক বৈঠকে বসে নিশ্চিত করে যে, এই হামলার পেছনে ফ্রান্সের নেতৃত্বাধীন একটি বিশাল চক্রান্তকারী নেটওয়ার্ক ছিল।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এই হামলার পেছনে ফ্রান্সের জড়িত থাকার পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও দলিল জড়ো করা হয়েছে। নাইজার সরকার আন্তর্জাতিক আদালতে এই বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পূর্ণ অধিকার রাখে।’
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্রোহীদের দমন করতে গিয়ে সেনাবাহিনী চাপের মুখে রয়েছে। এ কারণে দেশের সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে অভ্যন্তরীণ অসন্তোষও তৈরি হয়েছে।
এর আগে রাজধানীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার জন্য ফ্রান্স এবং আশপাশের কয়েকটি দেশকে দায়ী করেছিলেন তিয়ানি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন