প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হায়দরাবাদের নতুন উইকেটে আবারও রানের বন্যার দেখা মিলেছে। ভারতকে ২৪৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে দেওয়া হলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছিল স্বস্তিতে। ইতিহাস তখন বিপক্ষের কথা বলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তারা সবকিছুকে অগ্রাহ্য করে ভারতকে আটকে দিয়েছে ২২৩ রানে। ২৪ রানের একটি দারুণ জয় নিয়ে তারা সিরিজে ২-২ সমতা এনেছে। শেষ ম্যাচটিকে ‘ফাইনালে’ রূপান্তরিত করেছে দলটি।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে নায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন অধিনায়ক শাই হোপ। চলতি সিরিজে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা এই ব্যাটার এই ম্যাচেও সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। ৫০ বলে তিনি অপরাজিত ১০২ রান করেন। তার এই ইনিংসের জন্য তিনি ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।
হোপকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন শেরফেন রাদারফোর্ড। তিনি ২৬ বলে অপরাজিত ৪৯ রান করেন, যেখানে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছক্কা। শিমরন হেটমায়ার মাত্র ১২ বলে ৩৩ রান করেন। ওপেনার জুয়েল অ্যান্ড্রু ১৬ বলে ২১ রান করেন। রভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ২৪ রান করেন।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে ভারতের শুরুটা ছিল দারুণ। সাঞ্জু স্যামসন ২৩ বলে ৫৬ রান করেন। তবে কিমো পলের বলে হেটমায়ারের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি আউট হন। ইশান কিশান এরপর বেশি দূর এগোতে পারেননি এবং ৬ রানে আউট হন।
এরপর মাঝের ওভারগুলোতে ভারত গতি হারাতে শুরু করে। অভিষেক শর্মা ২৪ বলে ২৯ রান করেন। শ্রেয়াস আইয়ার ১১ বলে ১৬ রান করেন। নমন ধির প্রথম বলেই স্ট্যাম্পড হয়ে শূন্য রানে ফিরে যান। গুডাকেশ মোটি ২ ওভারে মাত্র ১৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন।
তিলক বর্মা ও নীতীশ রেড্ডি ভারতকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। তিলক ২৫ বলে ৪৩ রান করেন। নীতীশ ২০ বলে ৪১ রান করেন। কিন্তু দুজন আউট হওয়ার পর ভারতের আশা শেষ হয়ে যায়। অর্শদীপ সিং চোট পেয়ে ৫ রানে অবসর নেন। মায়াঙ্ক যাদব অপরাজিত থাকেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিংয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন কিমো পল। তিনি ৪ ওভারে ৪১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন। মূলত তিনিই ভারতকে ধসিয়ে ম্যাচে ফেরান উইন্ডিজকে। যার ফলে ক্যারিবীয়রা শেষমেশ মাঠ ছেড়ে সিরিজে সমতা ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন