প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শেরপুরে সরকারি বিভিন্ন কাজের ফাঁকে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা আকস্মিকভাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করছেন। এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সময় কাটানো, পড়াশোনা এবং পুষ্টির খোঁজ নেওয়া, বিদ্যালয়ের পরিবেশ পর্যবেক্ষণের কাজ করা হচ্ছে, যা শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছে। সেই সঙ্গে, শিক্ষক-কর্মচারীদের দায়িত্বশীলতা বাড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে যে, গত এক মাসের মধ্যে জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াছমিন শিডিউল ছাড়াই সদর উপজেলা এবং অন্যান্য উপজেলার অন্তত অর্ধশত স্কুল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারাও বসে নেই। তারা সকলেই কাজের সুযোগে খুদে শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে যাচ্ছেন। গত এক সপ্তাহে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ১০টি স্কুল পরিদর্শন করেছেন এবং শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতি, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছেন।
পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সরকারি স্কুলের এই শিক্ষার্থীর সাথে থাকলে স্বস্তি পাই। তারাই তো আগামী দিনের বাংলাদেশ। তারা পিছিয়ে পড়লে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে না। প্রকৃত বাংলাদেশ গড়তে চাইলে, আমাদের এই অবহেলিত শিশুদের বেশি সুযোগ দেওয়ার প্রয়োজন।’
ফরিদা ইয়াছমিন আরও বলেন, ‘দায়িত্ববোধ থেকেই প্রশাসন-এ কাজ করে যাচ্ছি। দায়িত্ব পালনে কাউকে অসৌজন্য আচরণ নয়, ভদ্রতার সাথে অনুরোধ করছি। স্কুলে গিয়ে দেখেছি, আমাদের শিশুরা অনেক মেধাবী। উপযুক্ত পরিবেশ এবং শিক্ষা দিতে পারলে ওরাই দেশের প্রকৃত নাগরিক হয়ে উঠবে।’
কয়েকজন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষকের সঙ্গে আলাপ করেও জানা গেছে, প্রশাসনের এই তৎপরতায় স্কলে শিক্ষার্থীদের আনতে শিক্ষকরা সক্রিয় হয়েছেন। স্কুল ফাঁকিতে সাবধান হওয়ার কথাও জানিয়েছেন অনেকেই।
এদিকে পরিদর্শনকালে বেশ কিছু স্কুলের অবস্থা ভালো দেখা গেছে এবং বেশ কিছু স্কুলে শিক্ষকের সংখ্যার সংকট রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। একইসাথে জানান যে, গ্রামের অনেক শিশু শিক্ষার্থী পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। পুষ্টিহীন এই শিশুদের পরিবারকে জেলা প্রশাসন থেকে সহায়তা করার আশ্বাসও প্রদান করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন