প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে সম্প্রতি একটি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তান। এই চুক্তিটি ‘মক্কা প্যাক্ট’ নামে পরিচিত, যা অনুযায়ী, যদি এই তিন দেশের মধ্যে কোনো একটি দেশের ওপর হামলা হয়, তবে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে।
গত ৭ আগস্ট এই প্রতিরক্ষা জোট গঠনের পর থেকেই বাংলাদেশ এতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল। সরকারের পক্ষ থেকে ন্যাটোর আদলে গঠিত এই জোটে যোগদানের ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে একাধিকবার। সৌদি আরব, তুরস্ক এবং পাকিস্তানও বলেছে, তাদের প্রতিরক্ষা জোটে আগ্রহী সব মুসলিম দেশের জন্য দরজা খোলা রয়েছে।
তবে, সম্প্রতি জোটভুক্ত তিন দেশের অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে অন্য কোনো দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নেই। খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য ডন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র সাজ্জাদ হায়দার খান এই অবস্থান তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, "এ মুহূর্তে জোট সম্প্রসারণের বিষয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না। প্রথমে পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্ককে তাদের জোট এবং সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। এরপর জোটটি একইরকম দৃষ্টিভঙ্গি ও অবস্থান পোষণকারী সকল দেশের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।"
সাজ্জাদ হায়দার খান উল্লেখ করেন, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং তুরস্ক পরবর্তী পর্যায়ে চুক্তির সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন