প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে স্বাগতিকদের হারানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেছে। এই জয়ের পর বাংলাদেশের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স এই জয়কে নিজের টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
২০২৪ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তাদের দেশে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ জয়ের পর তিনি বাংলাদেশ দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিমন্সের অধীনে, ঘরের মাঠে পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করার এক পর, এবার তিনি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে আসার মাধ্যমে আরও বড় সাফল্য পেয়েছেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভস্পোর্টজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিমন্স বলেন, অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানো বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসের একটি অন্যতম বড় মুহূর্ত।
তিনি জানান, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো যেকোনো দলের জন্য একটি বড় সাফল্য। কারণ সেখানে স্বাগতিকদের হারানো অত্যন্ত দুরূহ। তবে গত এক-দুই বছরে বাংলাদেশের টেস্ট দল ক্রমাগত উন্নতি করছে এবং সেই ধারাবাহিকতার ফলে দলের আত্মবিশ্বাসও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সিমন্স মনে করেন যে, সাম্প্রতিক সময়ে ভালো পারফরম্যান্স বাংলাদেশের জন্য অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ের আত্মবিশ্বাস তৈরি করেছে। যদিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একটি টেস্টে হার হওয়ার কথা তিনি মেনে নিলেও, তিনি উল্লেখ করেন যে তার আগে দল ভালো ক্রিকেট খেলেছে।
প্রস্তুতি ম্যাচে প্রত্যাশিত ফলাফল না এলেও, সেখান থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করা হয়েছে, সেটি মূল ম্যাচে সহায়তা করেছে বলে মনে করেন বাংলাদেশের কোচ।
দলের পেস আক্রমণের প্রশংসা করে সিমন্স বলেন যে, নাহিদ রানাকে চোটের কারণে মিস করলেও, অন্য তিন পেসার ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করেছে এবং নিখুঁত বোলিং করে তার অভাব পূরণ করেছে।
ব্যক্তিগতভাবে এই জয় তাঁর কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়ে সিমন্স বলেন, ড্রেসিংরুমে তিনি খেলোয়াড়দেরকে জানিয়েছেন যে, এটি তাঁর টেস্ট কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় জয়।
সিমন্সের মতে, আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া সফরে এসেও তিনি স্বাগতিকদের হারাতে পারেননি। তাই এবার বাংলাদেশের হয়ে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর অনুভূতি তাঁর কাছে বিশেষ।
দলের প্রস্তুতি এবং কঠোর পরিশ্রমের ব্যাপারেও তিনি কথা বলেছেন। বিশেষ করে প্রস্তুতি ম্যাচের পর ৫৪ রানের পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়রা যেভাবে কঠোর পরিশ্রম করছেন, সেটিকে তিনি এই সাফল্যের একটি প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন