প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার আমিনবাজার থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ময়লার ভাগাড় অপসারণ, সৌন্দর্যবর্ধন এবং দুর্গন্ধমুক্তকরণের কার্যক্রম অবশেষে শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর পর এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শনিবার (১১ জুলাই) আমিনবাজার-হেমায়েতপুরে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় ঢাকার জেলা প্রশাসক ডিসি ফরিদা খানমও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বর্ষাকালীন মহড়া পরিদর্শন করতে গিয়ে আমিনবাজার-হেমায়েতপুর সড়কের পাশে দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড় এবং তীব্র দুর্গন্ধও প্রত্যক্ষ করেন। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জেলা প্রশাসক ঢাকাকে দ্রুত ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে এলাকাটিকে পরিচ্ছন্ন ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তর করতে নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা জেলা প্রশাসন কাজ শুরু করে।
শনিবার স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম সরেজমিন পরিদর্শনে যান। তার সঙ্গে ছিলেন জেলা প্রশাসক ঢাকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন শেষে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, পর্যায়ক্রমে পুরো সড়কটিকে পরিচ্ছন্ন, দুর্গন্ধমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব করার লক্ষ্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
এই কার্যক্রমের আওতায় সড়কের দুই পাশের সব ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে নির্ধারিত ল্যান্ডফিলে বর্জ্য স্থানান্তর করা হবে। রাস্তার দুই পাশ বালি ও মাটি দিয়ে ভরাট করে প্যারাসাইক্লিং (ঢাল সংরক্ষণ) করা হবে, যাতে বৃষ্টির পানিতে মাটি ধসে না যায়। সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য রাস্তার দুই পাশে নিম, সুপারি ও নারকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হবে।
নতুন করে কেউ যেন সেখানে ময়লা ফেলতে না পারে, সে জন্য রাস্তার দুই পাশে উঁচু বেড়া নির্মাণ করা হবে। সার্বক্ষণিক নজরদারি ও মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জেলা প্রশাসক ঢাকা ফরিদা খানম জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই সড়ককে দুর্গন্ধমুক্ত ও দৃষ্টিনন্দন পরিবেশে রূপান্তর করা হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেন অবৈধভাবে ময়লা ফেলা না হয়, সে বিষয়েও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন