প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ হেফাজত থেকে পালিয়ে যাওয়া নারীকে গ্রেপ্তার করার পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হত্যার মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (২৯ অগাস্ট) বিকেলে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলাম ওই সন্দিগ্ধ আসামি মিতুকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, তবে ওই দিন আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। এর আগে, গত রাত ১২টার দিকে কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকা থেকে মিতুকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শনিবার, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার এসআই সৌমিত্র সরকার তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
কারাগারে পাঠানোর আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ২৪ অগাস্ট মিতুর তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হাসান কবির তাকে থানায় নিয়ে আসেন। এ সময় মিতুর সঙ্গে তার দুই বছর পাঁচ মাসের শিশু সন্তানও ছিল। তাকে ঘটনার বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২৭ অগাস্ট সকালে রিমান্ড শেষে মিতুকে আদালতে পাঠানোর আগে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরীক্ষা শেষে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে থানায় ফিরিয়ে আনা হয়।
এক নারী কনস্টেবলের পাহারায় মিতু থানার নারী ও শিশু হেল্প ডেক্সে ছিলেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তিনি কৌশলে দরজা খুলে শিশুসন্তান নিয়ে পালিয়ে যান।
বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা। হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় এসআই খন্দকার আবু সালেহ নাঈম একটি মামলা দায়ের করেছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন