প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উত্তর আমেরিকার মাটিতে বিশ্বকাপের খেতাব ধরে রাখার যে মিশন ছিল, সেটি লিওনেল মেসির জন্য সফলভাবে সম্পন্ন হয়নি। ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ ব্যবধানে পরাজিত হয়ে আলবিসেলেস্তেদের স্বপ্ন ভঙ্গ হয়ে যায়।
এই পরাজয়ের ম্যাচটি মেসির জাতীয় দলের পোশাকে শেষ উপস্থিতি হিসেবে চিহ্নিত হলো। বিশ্বকাপের কয়েক সপ্তাহ পর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায় নেন, যিনি ছিলেন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক।
জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায়ের ঘটনা এটি প্রথম নয়। ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকা ফাইনালে চিলির কাছে টাইব্রেকারে হেরে আবেগঘনভাবে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন ২৯ বছর বয়সী মেসি।
পেড্রাগালে টাইব্রেকারে শট মিস করার সেই হৃদয়ভাঙা রাতে মেসির এমন সিদ্ধান্ত পুরো ফুটবলবিশ্বকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। সেই সময়, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির পাশে দাঁড়িয়ে এক ঐতিহাসিক বার্তা দিয়েছিলেন পর্তুগিজ যুবরাজ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
তৎকালীন স্প্যানিশ পত্রিকা ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মেসির কঠিন সিদ্ধান্তের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রোনালদো বলেছিলেন, ‘মেসি খুব কঠিন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সবার উচিত ওর মানসিক অবস্থাটা বোঝা। ও হারতে বা ব্যর্থ হতে অভ্যস্ত নয়, এমনকি দ্বিতীয় হওয়াটাও ওর সঙ্গে যায় না।
কেবল একটা পেনাল্টি মিস করলেই কেউ খারাপ ফুটবলার হয়ে যায় না।’
রোনালদো তখন ভাবতে পারেননি যে মেসি পরবর্তীতে ফিরে এসে ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা এবং ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপ জয় করবেন—যে বিশ্বকাপ ট্রফিটি পর্তুগিজ মহাতারকার জন্য এখনো অধরা। তবুও, প্রতিদ্বন্দ্বীর কষ্টে সমব্যাথী হয়ে সেদিন রোনালদো প্রকাশ করেছিলেন নিজের অনুভূতি, ‘মেসিকে এভাবে চোখের জলে ভেঙে পড়তে দেখাটা সত্যিই বেদনার। আমি আশা করি ও নিজের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে জাতীয় দলে ফিরবে, কারণ আর্জেন্টিনার ওকে ভীষণ প্রয়োজন।’
রোনালদোর সেই আশাবাণী সত্য প্রমাণ করে সেবার অবসর ভেঙে ফিরে এসে দেশকে এনে দিয়েছিলেন পরম কাঙ্ক্ষিত সব সোনালী ট্রফি।
তবে এবার ৩৯ বছর বয়সী মেসির পক্ষে আর ফেরা সম্ভব কি না, তা নিয়ে রয়েছে গভীর সংশয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন