প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চার বছর আগে লুসাইলের অবিস্মরণীয় ফাইনাল যেখানে শেষ হয়েছিল, সেই জায়গা থেকে যেন শুরু হলো নতুন একটি মহাকাব্য। লিওনেল মেসি এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের চিরন্তন প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবল বিশ্বকাপকে নিয়ে চলে গেছে অনন্য এক উচ্চতায়। ২০২২ সালের ১৮ ডিসেম্বরের রোমাঞ্চকর রাতে ৩৬ বছরের খরা কাটিয়ে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে ফুটবলবিশ্ব সাক্ষী হয়েছিল দুই মহাতারকার ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ের। ফাইনালের আগে যিনি গোলদাতার তালিকায় ছিলেন অষ্টম স্থানে, সেই লিওনেল মেসি এখন ফুটবল ইতিহাসের চূড়ায় অবস্থান করছেন।
গত দুই ম্যাচে আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত হ্যাটট্রিক ও অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোল করে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে পেছনে ফেলে এখন বিশ্বকাপের ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি। ২২ জুনের সেই স্মরণীয় ক্ষণে নিজের ঝুলিতে ১৮টি গোল পুরে নিয়েছেন ৩৯ ছুঁইছুঁই এই মহাতারকা। তবে রেকর্ড নিয়ে বরাবরের মতোই নির্লিপ্ত মেসি জানালেন, ক্লান্ত শরীরে তিনি কেবল এই মুহূর্তটাই সতীর্থদের সাথে উপভোগ করতে চান।
মেসি যখন বিশ্রামে রয়েছে এবং নিজের এই কীর্তির দিকে তাকাবেন, তখন কদিনের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপ্পের ওপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করবেন। কারণ ২৬ বছরের এই ফরাসি ফরোয়ার্ড ১৬টি গোল নিয়ে ঠিক মেসির ঘাড়েই নিঃশ্বাস ফেলছেন। সেনেগাল ও ইরাকের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ইতিমধ্যেই ক্লোসার পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন এমবাপ্পে। যেখানে ক্লোসা খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপ, সেখানে এমবাপ্পে করেছেন এই কীর্তি মাত্র তৃতীয় বিশ্বকাপেই। সাবেক পিএসজি সতীর্থ মেসির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এমবাপে বলেছেন, "লিও সবসময়ই গোল করবে এবং রেকর্ডটি এখন মেসিরই।"
নিজের ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলকে কতদূর নিয়ে যাওয়া যায়, সেটাই এখন এমবাপ্পের মূল লক্ষ্য। রোনালদো ভক্ত হওয়া সত্ত্বেও মেসিকে সর্বকালের অন্যতম সেরা মানতে দ্বিধা করেনি ফরাসি এই গতিদানব। ফুটবলপ্রেমীরা এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্কের ফাইনালের দিকে, যেখানে আরও ছয়টি ম্যাচ হাতে রেখেই ইতিহাস ভাঙা-গড়ার এই খেলায় মুখোমুখি হতে পারেন এই দুই কিংবদন্তি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন