প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক বিরোধের কারণে ঘরে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন ইমন (২৫) নামের এক যুবক। ঘটনার দিনই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে ওই যুবকের। এবার আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেলেন তার বাবা মো. সিদ্দিক (৫৫)।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত সোয়া ২টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
গত শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় ওই পরিবারের পাঁচজনকে জাতীয় বার্নে ভর্তি করা হয়।
জাতীয় বার্নের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, সূত্রাপুর থানাধীন শ্যামবাজারে ঘটে যাওয়া আগুনের ঘটনায় রাত সোয়া ২টার দিকে সিদ্দিক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তার শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল।
এর আগে, অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে সিদ্দিকের ছেলে ইমনের মৃত্যু ঘটে। বর্তমানে জাতীয় বার্নে পরিবারের তিন সদস্য চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে তানিয়া (১৮) নামের একজনের শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে এবং তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। হাসপাতালে ভর্তি পরিবারের বাকি দুই সদস্য রাজিব (৩৫) ও আরিফ (৩৪) যথাক্রমে ১৫ শতাংশ ও ৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছেন।
গত শনিবার শ্যামবাজারের একটি বাসায় পারিবারিক কলহের কারণে ইমন নিজের কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। এসময় কক্ষে থাকা তার বাবা সিদ্দিকসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হন। পরে তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয়।
জানা গেছে, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বাসার সামনে ময়লা পানি জমিয়ে রাখা নিয়ে ইমনের বোন সুলতানার সঙ্গে তানিয়ার তর্কবিতর্ক হয়। বিষয়টি সুলতানা সৌদি আরবে থাকা তার ভাই ইমনকে জানান। ইমন শনিবার দেশে ফিরে আসেন।
আরিফের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শনিবার বিকেলে ইমন সবাইকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। তিনি বলেন, "আমিও মরবো, তোদেরকেও মারবো।" এরপর তিনি নিজের কক্ষে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন