প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার এএসআই দেলোয়ার হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহের নির্দেশে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বরিশালের কড়াপুর ইউনিয়নের মিরাজুল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বসতঘরে অভিযান চালান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এ সময় মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ চারজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে দেলোয়ার হোসেন নিজেকে বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার এএসআই হিসেবে পরিচয় দেন। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এয়ারপোর্ট থানার ওসিকে অবহিত করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক।
তবে এএসআই দেলোয়ার হোসেনের কাছে মাদক না পাওয়ায়, পরবর্তীতে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আটক দেলোয়ার হোসেনকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার এ বিষয়ে জানান, এএসআই দেলোয়ার হোসেন ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ১৫ দিনের আরআরএল ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। তবে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে আটক হওয়ার বিষয়টি জানার পরপরই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
সুশান্ত সরকার আরও জানান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ অবস্থায় পুলিশের কোনো সদস্য মাদকসংক্রান্ত বা এ ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে তার বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ সময় এএসআই দেলোয়ার হোসেন (৩৮), বাগেরহাটের ফকিরহাটের নোয়াপাড়া এলাকার নাহিদ হাসান (২৬), বরিশাল সদর উপজেলার দক্ষিণ কড়াপুর পাঁচগাঁও এলাকার মিরাজুল ইসলাম (৩৪) ও নগরীর পলাশপুর এলাকার ফাতেমা আক্তার নুরজাতকে (৩০) আটক করা হয়। তবে এ অভিযানে কোনো মাদক পায়নি অভিযানিক দলের সদস্যরা। পরে ছুটিতে থাকা পুলিশ সদস্যকে সংশ্লিষ্ট থানায় ও বাকি তিনজনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন