প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সারা বিশ্বে বায়ুদূষণের মাত্রা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশও এই প্রবণতার বাইরে নয়। রাজধানী ঢাকা, বিশ্বের বড় বড় শহরের সঙ্গে, এখনও অস্বাস্থ্যকর বায়ুমানের পর্যায়ে রয়েছে। এই মেগাসিটি বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় অষ্টম স্থানে অবস্থান করছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ছিল ১৫৮, যা অস্বাস্থ্যকর হিসেবে গণ্য করা হয়।
আন্তর্জাতিক সূচকের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ে বিশ্বের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দূষিত বায়ুর শহর ছিল ইন্দোনেশিয়ার মেডান শহর, যার একিউআই স্কোর ছিল ১৮৮। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের সিঙ্গাপুর শহরের স্কোর ১৮৫, তৃতীয় স্থানে ভিয়েতনামের হ্যানয় শহরের স্কোর ১৭৫ এবং ভারতের রাজধানী দিল্লি চতুর্থ অবস্থানে ১৭১ স্কোর নিয়ে রয়েছে।
একিউআইয়ের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর ১৫১ থেকে ২০০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মানকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই ধরনের বায়ু সবার স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তবে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ঝুঁকি বেশি।
ঢাকার বায়ুদূষণের জন্য অপরিকল্পিত নির্মাণকাজ, যানবাহনের ধোঁয়া এবং ধুলাবালিসহ বিভিন্ন কারণকে দায়ী করা হচ্ছে। এসব দূষণকারী উপাদান বায়ুর মানের অবনতি ঘটিয়ে নগরবাসীর স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি ও ফুসফুসের বিভিন্ন সমস্যা এই বায়ুদূষণের কারণে বৃদ্ধি পেতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নির্মাণকাজে ধুলা নিয়ন্ত্রণ, যানবাহনের নির্গমণ কমানো এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। পাশাপাশি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও পরিবেশবিষয়ক নীতিমালার যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকার বায়ুর মান উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন