প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মহারাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) দ্বারা বিমল এলাচির বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব প্রদান করেছেন শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফ। মহারাষ্ট্র এফডিএর কমিশনার তুকারাম মুন্ধে নিশ্চিত করেছেন যে, তিন অভিনেতার কাছ থেকে জবাব পাওয়া গেছে।
এএনআইয়ের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তিন অভিনেতার মধ্যে দুজন ব্যক্তিগত শুনানির জন্য আবেদন করেছিলেন। তাদের শুনানি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এখন নোটিশের পরবর্তী প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছে।
তুকারাম মুন্ধে মন্তব্য করেছেন, ‘তিনজন অভিনেতার কাছ থেকে নোটিশের জবাব পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজন শুনানির আবেদন করেছিলেন। গতকাল তাদের শুনানি শেষ হয়েছে। এখন আমরা পরবর্তী প্রক্রিয়ায় এগোচ্ছি।’
আগস্ট মাসে বিমল এলাচির একটি বিজ্ঞাপনে অভিনয়ের জন্য শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফকে মহারাষ্ট্র এফডিএ নোটিশ প্রদান করেছিল। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ ছিল, বিজ্ঞাপনটি পরোক্ষভাবে বা ‘সারোগেট অ্যাডভার্টাইজিং’-এর মাধ্যমে বিমল পানমসালা ব্র্যান্ডের প্রচার করতে পারে। মহারাষ্ট্রে পানমসালা নিষিদ্ধ থাকায় বিজ্ঞাপনটি নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করা হয়।
নোটিশে তিন অভিনেতার কাছে বিজ্ঞাপনে তাদের ভূমিকা ব্যাখ্যা করার জন্য বলা হয়েছিল। এছাড়া, তাদের বিরুদ্ধে কেন আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, সেটিও জানতে চাওয়া হয়েছিল। এফডিএ অভিনেতাদের সঙ্গে করা চুক্তি, বিজ্ঞাপনের পরিকল্পনা, পারিশ্রমিকের তথ্য এবং ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আগে যথাযথ যাচাই করা হয়েছিল কি না—এসব সংক্রান্ত নথিও চেয়েছিল।
এফডিএর দাবি, বিজ্ঞাপনটি মূলত বিমল ব্র্যান্ডের সঙ্গে পানমসালার সংযোগকে পরোক্ষভাবে তুলে ধরতে পারে। এই কারণে এটিকে ‘সারোগেট বিজ্ঞাপন’ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। মহারাষ্ট্র এফডিএ পূর্বে জানিয়েছিল, পানমসালা বিক্রির ওপর রাজ্যে নিষেধাজ্ঞার ভিত্তিতেই বর্তমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
নোটিশ পাওয়ার পর অভিনেতাদের ১৫ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে বলা হয়েছিল। পাশাপাশি বিজ্ঞাপনটির প্রচারণায় তাদের ভূমিকা বন্ধ এবং সংশ্লিষ্ট প্রচারসামগ্রী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সরানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল।
এখন তিন অভিনেতার জবাব ও শুনানির তথ্য পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে মহারাষ্ট্র এফডিএ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন