প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘তালাশ বিডি’তে প্রকাশিত একটি বস্তুনিষ্ঠ ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের তোপের মুখে নড়েচড়ে বসেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। অনুসন্ধানী সেই খবরের জের ধরে সফল অভিযান চালিয়ে নগরীর কাউনিয়া এলাকা থেকে একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত ও চিহ্নিত মাদক কারবারি সুমন হাওলাদার ওরফে মান্না সুমনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে কাউনিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকস ও বিশেষ অভিযানিক দল মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। আটককৃত মান্না সুমন কাউনিয়া থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদপুর এলাকার নূর ইসলাম হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল ‘তালাশ বিডি’তে "মোহাম্মদপুরের পর রসুলপুরে আস্তানা, ড্রোনে মাদক সরবরাহের অভিযোগ মান্না সুমন-শিল্পীর বিরুদ্ধে" শিরোনামে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। চাঞ্চল্যকর এই সংবাদটি বিএমপি পুলিশ কমিশনারের দৃষ্টিগোচর হওয়ার সাথে সাথেই তিনি অপরাধীদের দ্রুত আইন ও বিচারের আওতায় আনতে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশ কমিশনারের এই তাৎক্ষণিক ও ইতিবাচক পদক্ষেপের পর কাউনিয়া থানা পুলিশ দ্রুত অ্যাকশনে নামে।
কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)-এর দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ আভিযানিক দল মোহাম্মদপুর এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পলাশপুর ও রসুলপুর এলাকার আতঙ্ক কুখ্যাত এই মাদক সম্রাটকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। সুমনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। একই সাথে তার স্ত্রী এবং পেশাদার মাদক কারবারি শিল্পী বেগমকে গ্রেপ্তারেও পুলিশ অত্যন্ত তৎপর রয়েছে এবং তাকে ধরতে অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে 'তালাশ বিডি'র বরিশাল ব্যুরো থেকে যোগাযোগ করা হলে কাউনিয়া থানার দায়িত্বশীল ও চৌকস অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পুলিশের অপরাধবিরোধী অবস্থান ও সংবাদের প্রভাব তুলে ধরে বলেন, “গতকাল 'তালাশ বিডি'তে মান্না সুমন ও তার স্ত্রী শিল্পী বেগমকে নিয়ে যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়েছিল, তা আমাদের মান্যবর পুলিশ কমিশনার স্যারের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে আসামিদের আইনের আওতায় আনার কঠোর নির্দেশ দেন। স্যারের দিকনির্দেশনায় আমরা দ্রুততার সাথে অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে কুখ্যাত এই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। মাদকের বিরুদ্ধে বিএমপি পুলিশের এই জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
বিএমপি পুলিশ কমিশনারের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ ও কাউনিয়া থানা ওসির সাহসী ভূমিকা নগরবাসীর মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। সময়োপযোগী ও জোরালো এই অভিযানের জন্য স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণ কাউনিয়া থানা পুলিশ এবং বিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন