প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। একই সাথে তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক ও তীব্র হামলা সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তারা পরবর্তী সময়ে অব্যাহতভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়াতে সক্ষম হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি সূত্রে জানা যায়, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেকারচি এ দাবিটি করেছেন। শেকারচির ভাষ্যে, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়ে, এমনকি যখন সমঝোতা স্মারক কার্যকর ছিল তখনো ইরানের সামরিক বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে ক্ষেপণাস্ত্র এবং আক্রমণকারী ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে।
তিনি আরও বলেন, নতুন করে মজুত গড়ে তোলার পাশাপাশি উৎপাদিত ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এই ইরানি মুখপাত্র আরও জানান, ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনাগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে সফল হতে পারেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যে ধারণা তৈরি করেছিল, বাস্তবে তেহরান তার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে মার্কিন হামলা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।
গত মে মাসে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর একটি মূল্যায়নে জানানো হয়, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল, তার প্রায় ৭০ শতাংশ এখনো অক্ষত অবস্থায় রয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তৈরি অস্ত্র বিশেষ করে ড্রোন, তুলনামূলকভাবে কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেগুলো ধ্বংস বা প্রতিহত করতে মার্কিন বাহিনীকে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
সূত্র : আল-জাজিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন