প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন মন্তব্য করেছেন, ‘আমাদের টার্গেট হচ্ছে মানুষকে জাগিয়ে তোলা। এখানে অনেক অব্যবহৃত সম্ভাবনা রয়েছে, যা একসময় নিজেরাই বেরিয়ে আসবে। আমাদের কাজ হচ্ছে তাদের বেরিয়ে আসার পরিবেশ তৈরি করে দেওয়া।’
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, ‘আমরা চাই, আমাদের ছেলেমেয়েরা আমাদের চেয়ে ভালো জায়গায় অবস্থান করুক। তারা আমাদের চেয়ে যোগ্য হয়ে শুধু এই চেয়ারে নয়, এর চেয়ে আরো বড় চেয়ারে কীভাবে বসা যায়—সেভাবে নিজেদের তৈরি করুক।’
মঙ্গলবার সকালে দিনাজপুরের বিরামপুর সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত 'জব ফেয়ার' (চাকরি মেলা) উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো অবস্থাতেই চাই না এই প্রজন্মের তরুণরা মাদকাসক্ত হোক, অবহেলিত হোক বা কর্মহীন হোক। আমার মনে হয়, তাদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, তার স্ফুরণ তারা ঘটাতে পারবে, যদি আমরা তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারি। আজকের এই জব ফেয়ার যদি সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ কীভাবে করা যাবে সেই দিকনির্দেশনা দিতে পারে, তবেই আমাদের কষ্ট সার্থক হবে। এই অঞ্চল একটি অবহেলিত অঞ্চল। কাজেই আমাদের এই অঞ্চলকে জাগিয়ে তুলতে এই জব ফেয়ার একটি ইতিবাচক ধাক্কা বা ঢেউ হিসেবে কাজ করবে।’
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমান ও আগামী দিনের অর্থনৈতিক বাস্তবতায় কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে তরুণ-তরুণীদের কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ হয়ে নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে কিংবা উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে হবে।’
মফস্বল অঞ্চলের শিক্ষিত বেকার যুবসমাজকে চাকরির সন্ধানে দূর-দূরান্তে বা বড় শহরে যাওয়ার ভোগান্তি ও যাতায়াত খরচ কমাতে দেশের শীর্ষস্থানীয় ৮০টি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে সরাসরি স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। এর মাধ্যমে প্রার্থীরা সরাসরি নিয়োগকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ পাচ্ছেন। স্থানীয় যুবসমাজকে বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত করে স্বাবলম্বী করা এবং সমকালীন প্রতিযোগিতামূলক চাকরির বাজারের চাহিদা অনুযায়ী তরুণদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও দক্ষতা বৃদ্ধি (স্কিল ডেভেলপমেন্ট) করার বিষয়ে তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
দিনব্যাপী আয়োজিত এই 'জব ফেয়ার' উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরামপুর জব ফেয়ার কমিটির আহ্বায়ক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা (পিপিএম) প্রমুখ।
মেলায় ব্যাংক, টেক্সটাইল, ওষুধ, আইটি ও এনজিওসহ দেশের উৎপাদন ও সেবা খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৮০টি দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। অনলাইনে বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২৫ হাজার চাকরিপ্রত্যাশী আবেদন করেছেন।
এমই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন