প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানী ঢাকার পুরান ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনের ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় করা মামলায়, সজীব ব্যাপারীসহ মোট ২১ জন আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৭ জুলাই নতুন দিনের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।
আজ ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আলমগীরের আদালতে মামলার প্রথম সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য প্রদত্ত তারিখে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা মামলাটিকে আদালত পরিবর্তন করার জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে আবেদন করেছেন।
এদিন মামলার বাদী, নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম আদালতে হাজিরা প্রদান করেন সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য। আসামি পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেছেন। আদালত তাদের সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ২৭ জুলাই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেন।
ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহাদাত আলী বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেট-সংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে পাকা রাস্তার ওপর কিছু লোক ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে এবং কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
ওই ঘটনার পরের দিন ১০ জুলাই, নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতয়ালি থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটিতে অজ্ঞাতনামা আরো ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়।
নিহত সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ব্যবসা করে আসছিলেন।
মামলাটি তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান ২৯ ডিসেম্বর একই বছরে সজীব ব্যাপারীসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। ২১ আসামির মধ্যে ১০ জন বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছে। তিন জন জামিনে আছেন এবং বাকি আটজন পলাতক রয়েছেন।
গত ১২ জুলাই ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন