প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : উত্তাল সমুদ্রে একটি ফেরি ডুবে যাওয়ার পর নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে সোমবার ব্যাপক উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ইন্দোনেশিয়া। দেশটির শীর্ষ উদ্ধার কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জীবিতদের উদ্ধারের জন্য বিমান, নৌযান ও ডুবুরি মোতায়েন করা হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ‘ভিরগো ট্রান্সপোর্ট ৮’ ফেরিটিতে ২১৩ জন যাত্রী এবং ৩০ জন ক্রু ছিলেন। পূর্ব জাভার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সুরাবায়া থেকে ফেরিটি যাত্রা শুরু করার পর রোববার ভোরে ফেরিটির পরিচালনাকারী কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
জাকার্তা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।
জাতীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ সিয়াফি সোমবার জানান, ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। এছাড়া ১২৯ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগের দিন অন্তত ১০৮ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, উদ্ধার অভিযানে পাঁচটি বিমান এবং ১৭টি নৌযান মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজও রয়েছে। ডুবে যাওয়া ফেরিটিকে ঘিরে বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।
সিয়াফি বলেন, ‘ভাসমান নিখোঁজদের খুঁজে বের করার জন্য ছয়টি এলাকায় ভাগ করে আমরা সর্বোচ্চ পর্যায়ে উদ্ধার অভিযান চালাব।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ‘আমরা নিখোঁজদের নিরাপদ অবস্থায় খুঁজে পাব।’
তিনি আরও জানান, উদ্ধারকারীরা ডুবে যাওয়া ফেরিটির অবস্থান শনাক্ত করেছেন। নিখোঁজদের সন্ধানে ফেরিটির ভেতরে এবং আশপাশে ডুবুরি ও পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোন মোতায়েন করা হবে।
পরিবহনমন্ত্রী দুডি পুরওয়াগান্ধি সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ফেরিটিতে অতিরিক্ত যাত্রী ছিল না। বরং সর্বোচ্চ ৫০০ জন ধারণক্ষমতার তুলনায় ফেরিটিতে যাত্রী সংখ্যা ছিল কম।
১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় নৌপথে যাতায়াত ও পর্যটনের জন্য নৌযানের ওপর ব্যাপক নির্ভরতা রয়েছে। দেশটিতে প্রায়ই নৌ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্বল নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং অনিশ্চিত আবহাওয়া এসব দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গত সপ্তাহে বানতেন প্রদেশের আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরির কাছে আটজনকে বহনকারী একটি স্পিডবোট নিখোঁজ হয়। তাদের মধ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থায় কর্মরত পাঁচজন সাংবাদিক ছিলেন। তাদের সন্ধানে এখনও অভিযান চলছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন