প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
অ্যাঙ্কর ইন:
দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা কাটিয়ে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে যাদুকাটা নদীর দুটি বালুমহাল চালুর উদ্যোগে স্বস্তি ফিরেছে হাজারো শ্রমিকের জীবনে। আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসতে শুরু করেছে নদীকেন্দ্রিক শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে। একই সঙ্গে বালুমহাল দুটির বিপরীতে সরকার পেয়েছে ৪২ কোটি ৬৬ লাখ টাকারও বেশি রাজস্ব। তবে নিয়ম মেনে বালু উত্তোলন এবং পরিবেশ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নজরদারি অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
ভয়েস ওভার:
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে ঘেরা সুনামগঞ্জের যাদুকাটা নদী। এই নদীকে ঘিরেই জীবিকা নির্বাহ করেন হাজারো শ্রমিক। নদীতে বালু উত্তোলন বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন কর্মহীনতার চাপে ছিলেন অনেক শ্রমজীবী মানুষ। বালুমহাল দুটি আবার চালুর উদ্যোগে নতুন করে আশার আলো দেখছেন তারা।
সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা থেকে গত ১৯ অক্টোবর জারি করা পৃথক চিঠিতে যাদুকাটা-১ ও যাদুকাটা-২ বালুমহালের সীমানা নির্ধারণ করে ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানকে সরেজমিনে দখল বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বালুমহাল দুটির ইজারাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান তাহিরপুরের মেসার্স তাহিয়া স্টোন ক্রাশার। প্রতিষ্ঠানটির স্বত্বাধিকারী মো. নাছির মিয়া। ধার্য ইজারামূল্য, আয়কর ও ভ্যাটসহ বালুমহাল দুটির বিপরীতে সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে ৪২ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২২ টাকা।
সট: শ্রমিক
বালুমহাল চালু হওয়ায় আবারও কাজের সুযোগ তৈরি হয়েছে শ্রমিকদের। তাদের প্রত্যাশা, নিয়মিত কাজের মাধ্যমে পরিবারের ভরণপোষণ নিশ্চিত করতে পারবেন তারা। কর্মসংস্থানের সুযোগ ফিরে পাওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছেন শ্রমিকেরা।
সট: রিপামনি দেবী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, তাহিরপুর
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী জানান, বালুমহাল দুটি চালু হওয়ায় শ্রমিকদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্য দেখা যাচ্ছে। ইজারাদার নিয়মনীতি মেনেই কার্যক্রম পরিচালনা করছেন কি না, তা প্রশাসন পর্যবেক্ষণ করছে। কেউ আইনবহির্ভূতভাবে বালু উত্তোলনের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সট: মো. নাছির মিয়া, স্বত্বাধিকারী, মেসার্স তাহিয়া স্টোন ক্রাশার
ইজারাদার মো. নাছির মিয়া বলেন, যাদুকাটা নদী নিয়ে বিদ্যমান আইনি জটিলতা নিরসনের পর শ্রমিকেরা নিয়ম মেনে বালু উত্তোলনের সুযোগ পাচ্ছেন। শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সচল রাখা এবং তাদের মুখে হাসি ফোটানোই তাদের প্রত্যাশা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বালুমহালের সীমানাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভয়েস ওভার / আউট্রো:
যাদুকাটা নদীর বালুমহাল দুটি চালুর ফলে একদিকে যেমন শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আয়েও যুক্ত হয়েছে ( ৪২ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২২ টাকা । এখন শ্রমিকদের জীবিকা সচল রাখার পাশাপাশি আইন মেনে বালু উত্তোলন, নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ রক্ষা এবং সরকারি রাজস্বের স্বার্থ নিশ্চিত করাই সংশ্লিষ্ট সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন