প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তারের আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম এবং তার গাড়িচালক ওবায়দুরের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করেছে।
আদালত আপসনামা পর্যালোচনা করে মন্তব্য করেছে, ‘এ ধরনের অনাপসযোগ্য মামলায় একটি আপসনামার ভিত্তিতে জামিন দিলে সমাজে ন্যায়বিচার সম্পর্কে বিরূপ ধারণার সৃষ্টি হবে।’
পরে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুরের নির্দেশনা প্রদান করে।
মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস হয়েছে এবং বাদীপক্ষ জামিনে কোনো আপত্তি নেই—এমন দাবি আসামিপক্ষের তরফ থেকে আদালতে উত্থাপন করা হয়। তবে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে শেষ পর্যন্ত নজরুল ইসলামের জামিন আবেদন আদালত নামঞ্জুর করে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে নজরুলের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান।
শুনানির সময় তিনি উল্লেখ করেন, মামলার বাদী মরিয়মের বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে আসামিদের সমঝোতা হয়েছে এবং বাদীপক্ষেরও জামিনে কোনো আপত্তি নেই।
তবে শুনানি শেষে আদালত নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে। ফলে তাকে আপাতত কারাগারে থাকতে হচ্ছে।
এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই মামলায় নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলামের জামিন চাওয়া হয়েছিল। সেদিন আদালত মাকছুদাকে জামিন দিলেও নজরুলের আবেদন নামঞ্জুর করে।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় সংসদ ভবনের বিপরীতে ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তার বাবা এস এম মাসুম বিল্লাহ শেরেবাংলা নগর থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকছুদা ইসলাম এবং মরিয়মের মামা ওবায়দুর রহমানকে আসামি করা হয়। মামলার পরদিন আদালত নজরুলের চার দিনের এবং মাকছুদার এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। পরে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নজরুলের আরও এক দফা রিমান্ড মঞ্জুর হয়। দুই দফায় মোট আট দিনের রিমান্ড শেষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ প্রদান করে আদালত।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন