প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হাইকোর্ট চট্টগ্রাম, বগুড়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট শহরে পুকুরের সংখ্যা সংক্রান্ত একটি তালিকা হলফনামা আকারে তিন মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে। একইসঙ্গে, ৫ শহরে অবৈধভাবে পুকুর ভরাট ও দখল বন্ধ করতে ৫ জেলা প্রশাসককে মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার, বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করা হয়।
জলাধার সংরক্ষণ আইন ও পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন বিধান অনুসারে, জলাশয় হিসেবে স্বীকৃত পুকুরের দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষ থেকে রবিবার একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
এইচআরপিবির পক্ষে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ শুনানি করেন। পরে, মনজিল মোরসেদ এক লিখিত বক্তব্যে জানান, আদালত চার সপ্তাহের রুল জারি করে বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম শহরে রেকর্ডকৃত পুকুরগুলো রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং পুকুরগুলো কার্যকরভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সেই বিষয়ে বিবাদীদের জবাব দিতে বলেছেন।
আদালত অপর এক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশে ৫ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছে। এই কমিটিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের প্রতিনিধি, পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবে এবং যাতে রেকর্ডকৃত পুকুর দখল বা ভরাট করা না যায়, সে জন্য মনিটরিং কমিটিকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
একইসঙ্গে, চার সপ্তাহের মধ্যে তাদের অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন