প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পাবনার ঈশ্বরদী এলাকায় পুলিশ একটি যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে, যার নাম হৃদয় প্রামাণিক (৩০)। লাশের পাশে একটি হাতে লেখা চিরকুটও পাওয়া গেছে। চিরকুটে হৃদয় তার স্ত্রী সুমাইয়াকে নিজের মৃত্যুর জন্য দায়ী করেছেন এবং নবজাতক সন্তানের হত্যার অভিযোগ তুলেছেন।
রোববার রাতে, হৃদয়ের লাশ উদ্ধার করা হয় দিয়াড় সাহাপুর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে। নিহত হৃদয় প্রামাণিক মানিকনগর মধ্যপাড়া এলাকার আনজারুল প্রামাণিকের পুত্র ছিলেন এবং পেশায় ট্রাকচালক।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হৃদয় তার দ্বিতীয় স্ত্রী সুমাইয়া খাতুনের সঙ্গে সাহাপুরের দিয়াড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তিন দিন আগে পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যান, এরপর থেকে হৃদয় একাই ওই বাসায় ছিলেন।
রোববার রাতে বাড়ির মালিক হৃদয়ের খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের দরজা বন্ধ পান। দীর্ঘ সময় ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে তিনি হৃদয়ের মাকে খবর দেন। পরে স্বজন ও স্থানীয় লোকজন এসে দরজা খুলে ঘরের আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় হৃদয়কে দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে।
চিরকুটে লেখা ছিল, ‘আমার মৃত্যুর জন্য দায়ী সুমাইয়া। আমার ছেলেকে মারছে শরীফ। আমার জন্য দোয়া করবেন।’ স্বজন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, হৃদয়ের স্ত্রী সুমাইয়া প্রায় এক মাস আগে একটি ছেলেসন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু জন্মের কয়েক দিন পর শিশুটির মৃত্যু হয়। চিরকুটে উল্লেখ করা শরীফ সুমাইয়ার বড় ভাই। নবজাতকের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। হৃদয়ের মনে শিশুটির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ ও সন্দেহ তৈরি হয়েছিল বলে জানা গেছে।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আসাদুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে হেফাজতে নিয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। লাশের পাশে একটি হাতে লেখা চিরকুট পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এমই
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন