প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেছেন যে, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জামায়াতের কাছ থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়ে জাতীয় নির্বাচন করেছে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত এনসিপিকে আর অর্থ দেবে না বলে ‘শোনা যাচ্ছে’।
রাশেদ খাঁন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এ বিষয়গুলি তুলে ধরেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, জামায়াতের কাছ থেকে নেওয়া ওই টাকা পরিশোধের জন্য এনসিপিকে এখন ‘গণভিক্ষা কর্মসূচি’ চালু করতে হচ্ছে। তিনি আবারও বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে জামায়াত এনসিপিকে আর অর্থ দেবে না বলে ‘শোনা যাচ্ছে’।
অতিরিক্ত অভিযোগ করে রাশেদ খাঁন বলেন, অতীতে বন্যার টাকা আত্মসাতের অভিযোগের কারণে দীর্ঘদিন গণভিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও স্থানীয় নির্বাচনের তহবিল সংগ্রহের জন্য এনসিপি আবার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে গণভিক্ষা কার্যক্রমে জোর দেবে।
তিনি আরও বলেন, এনসিপি যদি এককভাবে স্থানীয় নির্বাচন করে, তাহলে তিনি তাদের গণভিক্ষা তহবিলে ১ লাখ টাকা অনুদান সংগ্রহ করে দেবেন।
পোস্টে এনসিপির নেতাদের নিয়েও বিভিন্ন মন্তব্য করেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, বিএনপি নেত্রী রুমিন ফারহানা একসময় হাসনাত আব্দুল্লাহকে ‘ফকিন্নির বাচ্চা’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। এখন এনসিপির নেতারা ১৮ মাসে ‘লাগামহীন দুর্নীতি’ করে জমিদারের বাচ্চা বনে গেছেন কি না, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এনসিপির নেতাদের আলিশান কার্যালয় ও ফ্ল্যাট ভাড়া নেওয়া এবং ‘জমিদারি ভাবসাব’ নিয়ে চলাফেরার অর্থের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ। তার মতে, একটি গণঅভ্যুত্থান এনসিপির ‘এক ডজন নেতার জীবন পরিবর্তন করে দিয়েছে’ বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বিএনপির আন্দোলন ও এনসিপির রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তিনি লেখেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা ১৭ বছর ধরে আন্দোলন করলেও সেই সময়ে হাসনাত আব্দুল্লাহদের কী ভূমিকা ছিল, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে নাহিদ ইসলামদের ওপর জনগণের আস্থা থাকলে তারা কেন ক্ষমতায় আসতে পারেননি, সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।
জামায়াত ও এনসিপির প্রধান বিরোধী দল হওয়ার প্রতিযোগিতা নিয়েও মন্তব্য করেন রাশেদ। তার দাবি, বিএনপি এনসিপিকে জাতীয় পার্টির মতো বিরোধী দল বানাতে রাজি না হওয়ায় এনসিপি জামায়াতের জোটে গেছে। এতে জামায়াত উপকৃত হয়েছে এবং ‘গৃহপালিত বিরোধী দল’-এর তকমা থেকে গণতন্ত্র রেহাই পেয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, ক্ষমতার জন্য এনসিপি অল্প বয়সেই ‘ধান্ধাবাজ দলে’ পরিণত হয়েছে। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকার আরও কয়েক বছর ক্ষমতায় থাকলে এনসিপির নেতারা দুর্নীতি ও অর্থ পাচারে আওয়ামী লীগকেও ছাড়িয়ে যেতেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন