প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আড়াই বছর অতিবাহিত হলেও নড়াইলের বারইপাড়া-বড়দিয়া সড়কের সংস্কারের কাজ এখনও শেষ হয়নি। এর ফলে, স্থানীয় জনগণের জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দিয়ে যাতায়াত করা এখন অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শন করলে দেখা যায়, সড়কের কার্পেটিং ক্ষয়ে গিয়ে ইট-খোয়া বেরিয়ে গেছে এবং বিস্তীর্ণ অংশ উঁচু-নিচু ও এবড়োখেবড়ো হয়ে রয়েছে।
বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় মালবাহী ভ্যান, নসিমন, পিকআপসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন যেকোনো সময় উল্টে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সড়ক ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, সংস্কারের অভাবে গত চার বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ব্যস্ততম সড়কের এমন বেহাল দশা বিরাজ করছে। জনদুর্ভোগ লাঘবের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ১৪.১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘বারইপাড়া ভায়া মাউলী বটতলা-বড়দিয়া (গ্রোথ সেন্টার) জিসি’ সড়ক সংস্কারের প্রকল্প গ্রহণ করেছে।
২২ কোটি ১১ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২০২৪ সালের ৫ মার্চ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘ইডেন প্রাইজ’কে কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ করে হস্তান্তরের কথা থাকলেও বাস্তবে কাজের অগ্রগতি অত্যন্ত ধীর। ফলে, ভাঙাচোরা এই সড়কে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং মালামাল ও জরুরি রোগী পরিবহনে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এলজিইডি নড়াইল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার ইকরামুল কবীর জানান, সড়কের ৪০০ মিটার আরসিসি (ঢালাই) এবং বাকি অংশ ৩ ইঞ্চি ওয়েস্ট মিক্সড ম্যাকাডাম বিছিয়ে তার ওপর ৪০ মিলিমিটার ডেন্স কার্পেটিং করা হচ্ছে। যান চলাচলের সুবিধার্থে সড়কটির উভয় পাশে এক ফুট করে বাড়িয়ে মোট ১৪ ফুট চওড়া করা হচ্ছে।
কাজের বিলম্বের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘গেল বর্ষা মৌসুমজুড়ে ব্যাপক বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি সড়কের কিছু গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জটিলতায় কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। তবে বড়দিয়া প্রান্তের ৪০০ মিটার আরসিসি সড়ক নির্মাণ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।’ কাজের সময়সীমা ২০২৭ সালের ১৯ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হলেও আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন এই প্রকৌশলী।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন